ভারত থেকে আম’দানি করা পাথরবোঝাই ট্রেনে ফেনসিডিল

ভারত থেকে আম’দানি করা পাথর বহনকারী ওয়াগান ট্রেনে অ’ভিনব কায়দায় রাখা ২৩৫ বোতল ফেনসিডিল উ’দ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ফেনসিডিলের চালানটি উ’দ্ধার করা হয়। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় মা’দক ব্যবসায়ী ভারত থেকে বাংলাদেশগামী পাথর বহনকারী ভারতীয় ট্রেনে ফেনসিডিল নিয়ে আসছে এ খবরের ভিত্তিতে সোমবার রাতে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক নুরুল ইস’লামের নেতৃত্বে মা’দকবিরোধী অ’ভিযান পরিচালনা করা হয়।

অ’ভিযানে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে ভারত থেকে বাংলাদেশগামী পাথর বহনকারী ভারতীয় ট্রেনের একটি বগি (বগি নং-৩০০৫৯৮/৬০০৫৮) তল্লা’শি করে পাথরের নিচে রাখা প্লাস্টিকের ব্যাগ উ’দ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো খুলে তার মধ্যে ২৩৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল পাওয়া যায়। এ সময় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও কাস্টমস উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় কাউকে আ’ট’ক করা সম্ভব হয়নি।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করছে স্মা’র্টফোন!

সভ্যতার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির অবদান অ’পূরণীয়। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন আবিষ্কার সহ’জ করে দিচ্ছে জীবনযাত্রাকে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের দরুন মোবাইল ফোন আজ যোগাযোগের দ্রুততম মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। গোটা বিশ্বকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু প্রযুক্তির উপকারী একটি মাধ্যম যখন ক্ষতির কারণ হয়, তখন সেটা ভয়াবহ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হাতের মুঠোয় থাকা ফোনটি আজ এমনই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইলের ‘ভয়ংকর’ ব্যবহারে আমাদের দেশের স্কুলপড়ু য়ারা ‘সর্বনাশের’ চরম সীমায় চলে যাচ্ছে।

প্রযুক্তির এ মাধ্যমটি ব্যবহার করে তারা বিনোদনের রঙিন আ’গুনে ঝাঁপ দিচ্ছে। কিছু না বুঝে ওঠার আগেই এ আ’গুনে পুড়িয়ে ফেলছে মূল্যবান সময় ও মেধা। নিজেকে ঠেলে দিচ্ছে এক অশুভ স্রোতের মাঝে। বাংলাদেশে অনলাইন অ’প’রাধ প্রবনতা ব্যাপক বেড়ে গেছে। বেশীরভাগ অ’প’রাধই করছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

বেসরকারি এক জরিপ অনুযায়ী, মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির পেছনে যে কারণগুলো উঠে আসছে এর মধ্যে অন্যতম হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন রগরগে ওয়েবসাইটে সহ’জে প্রবেশ ও গেমস। এ আসক্তি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কি আম’রা কখনও গভীরভাবে ভেবে দেখেছি? কেন কোমলমতি শি’শু-কিশোররা মা’দকের মত মোবাইল আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে? এজন্য কি শুধু তারাই দায়ী? নাকি এর পছনে অন্য কারণও আছে?

অনুসন্ধান দেখা গেছে, বেশীরভাগ স্কুল-কলেজের মেয়েরাই অনলাইন সুরক্ষা স’ম্পর্কে জানেনা। মেয়েরা বিভিন্ন বয়সের পুরুষের মাধ্যমে প্রতারণা স্বীকার হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। স’ম্পর্কের নামে ভিডিও কলের মাধ্যমে এ সকল মেয়েরা নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে, তার মাশুল দিতে হচ্ছে অ’ভিভাবকদের।

ঢাকা মেডিক্যাল লা’শ কা’টাঘর প্রতিদিনই আসছে বিভিন্ন কিশোরীর আত্নহ’ত্যার দেহ। এদের অনেকের বয়স ১৩ থেকে ১৭। যারা অনলাইনে ভিডিও কলসহ ম্যাসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে নানা অ’প’রাধ করতে গিয়ে নিজেরাই প্রতারণার স্বীকার হয়ে আত্নহ’ত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে ভুলেও স্মা’র্টফোন তুলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে অ’ভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিজেই নষ্ট করছে। অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে আমি আরও খুঁজে পেয়েছি অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নিজের ব্যাক্তিগত গো’পন ছবি তুলে দিচ্ছে অন্যের কাছে। যেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের নামে অশান্তি তৈরি হচ্ছে দেশে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের মেস, হোস্টেলে অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে প্রবাসীদের সাথে প্রতারণা করছে।

যেটা আমাদের এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হতে পারে। আমা’র অনুসন্ধান বলছে, বাংলাদেশ থেকে ১৩ থেকে ১৭ বছরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে। এদের অনেকেই গড়ে তুলছে পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন গ্রুপ। যেটা সমাজের চিত্র ভয়ানক করে তুলছে।

অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমা’র চোখে পড়েছে এমন ভয়ানক চিত্র তা তুলে ধ’রা খুবই জরুরী। বেশীরভাগ কিশোর এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন ম্যাসেজ গ্রুপ খুলে সেখানে ছিনতাই, ধ’র্ষণ ও নি’র্যাতন, চু’রিসহ হ’ত্যা পরিকল্পনা করে চলেছে। অ’ভিভাবকদের অসচেতনতাই এগুলো বাড়াচ্ছে বলে আমি মনে করি৷ এই ব্যাপারে আমি অনেক অ’ভিভাবকের সাথে কথা বলে বুঝলাম, সন্তান ঘরে ফিরেছে কিনা, কি করছে এমন তথ্যগুলো জানার জন্যই তারা স্মা’র্টফোন কিনে দিচ্ছে। অনেক শি’শু, কিশোর-কিশোরী শিক্ষার্থীরা পথ হারাচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে। আরও ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার দিনে দিনে মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট করে দিচ্ছে৷ সময় থাকতে স্মা’র্টফোন ব্যবহার বন্ধ করুন ও সন্তান, ছোট ভাইবোনকে দিন বাটন ফোন। যেগুলো ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সারাদিন নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ফোন একদমই নয়৷

লেখক : আরিফ রহমান শিবলী, নির্বাহী পরিচালক, কিডস মিডিয়া ও সদস্য, আমেনেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল।

(খোলা কলামে প্রকাশিত সব লেখা একান্তই লেখকের নিজস্ব মতামত। এর সাথে পত্রিকার কোন স’ম্পর্ক নেই)

এবার ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে দুই ঢাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নি’র্যাতন

ছাত্রদল করার অ’ভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল থেকে দুই শিক্ষার্থীকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ। হল ছাড়া করার আগে তাদের মা’রধর ও মানিব্যাগ থেকে টাকা রেখে দেয়ার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফসার হাসান রানার নেতৃত্বে ওই দুই শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে বলে অ’ভিযোগ ভু’ক্তভোগীদের। আফসার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের (ভারপ্রাপ্ত) অনুসারী।

ছাত্রলীগের মা’রধরের শি’কার ওই দুই শিক্ষার্থীর নাম রাকিবুল হাসান (রাকিব) ও সুমন। এদের মধ্যে রাকিব দ্বিতীয় বর্ষে ও সুমন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা দু’জনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, সুমন হলের ১১১ নম্বর ও রাকিব ১১৩ নম্বর কক্ষে থাকতেন। সুমন তার কক্ষে ঘুমিয়েছিলেন। তাকে ঘুম থেকে তুলে হলের তিন তলায় ছাত্রলীগ নেতা আফসারের রুমে ডেকে নিয়ে যায় অপর ছাত্রলীগ নেতা জিসান। সেখানে প্রথম দফায় মা’রধর করার পর তাকে হলের গেস্টরুম ও হল ছাত্র সংসদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

একই কায়দায় রাকিবকেও ঘুম রুম থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। হল শাখা ছাত্রলীগের লাভলু, জুয়েল ও জহির তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভয় ভীতি দেখিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার শি’কার রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন ফেসবুকে লেখালেখি করার কারণে তার প্রতি বিরাগভাজন হয়েছে ছাত্রলীগ। তিনি বলেন, আমকে ঘুম তুলে মা’রধর করেছে। পরে হল থেকে চলে যেতে বলে। আমি ফেসবুকে বিভিন্ন সময় লেখালেখি করি। নিরপেক্ষ থেকে লেখার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে তা সরকার বা ক্ষমতাসীন দলের বিপক্ষে চলে যায়।

মা’রধরের শি’কার অপর শিক্ষার্থী সুমনের মানিব্যাগ থেকে ছাত্রলীগ নেতা আফসার টাকা নিয়ে নিয়েছেন বলে ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থী অ’ভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মানিব্যাগে সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিল। আফসার ভাই, আমার মানিব্যাগ থেকে টাকাগুলো নিয়ে নিছে।

বৈধ শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও হল থেকে নি’র্যাতন করে বের দেয়ায় বর্ণনা দিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি স্যার এ এফ আর হলের বৈধ শিক্ষার্থী। আমি বৈধভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। আমাকে এফ আর হলে সিট দেয়া হয়েছে। তারপরও আমি কেনো হলে থাকতে পারব না? হল কোনো ছাত্র সংগঠনের?

তবে মা’রধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতা আফসার হোসেন রানা। একইসঙ্গে টাকা আত্মসাৎ করার অ’ভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেনো ওদের মানিব্যাগ খোঁজ করতে যাব? আমরা কোনো টাকা নেইনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক কে এম গোলাম রাব্বানী ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়েছেন জানিয়ে বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘এটা হলের ভেতরকার ঘটনা। এটা হল প্রশাসন দেখবে। তারা যদি কোনো সাহায্য চায়, তাহলে আমরা করব।’

হলের প্রধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘আজকে আমি সমাবর্তন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হাউস টিউটির দিয়ে আমি ঘটনার খোঁজ নিয়েছি। আজ রাত ১০টার সময় সময় সবাইকে নিয়ে মিটিং ডেকেছি।

হলে ছাত্ররা বৈধভাবে থাকে, কেউ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে অন্য কোনো ছাত্রকে বের করে দিতে পারে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কোচিংয়ে যাওয়ার পথে জনসম্মুখে তরুণীর স’র্বনা’শ করলো সে’নাসদস্য

একের পর এক স’র্বনা’শের ঘটনা ঘটেই চলেছে ভারতের বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে। এবার কোচিং ক্লাসে যাওয়ার পথে লালসার শি’কার হলেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী। গত ২৯ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশের অউরৈয়া জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

তবে ঘটনাটি সামনে এসেছে গত সোমবার। অ’ভিযু’ক্তদের একজন সে’নাসদস্য বলে স’ন্দেহ করছে পু’লিশ। অ’ভিযু’ক্তদের এখনো গ্রে’প্তার করা যায়নি।

অভিযোগ, রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চারজন মিলে তাকে স’র্বনা’শ করে। পু’লিশের দাবি, জনসম্মুখেই তরুণীকে স’র্বনা’শ করা হয়েছে। নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর পরিবার মামলা দায়ের করেছে।

জানা গেছে, ২৯ নভেম্বর কোচিং ক্লাসে যাওয়ার সময় ওই তরুণীকে রাস্তা থেকে অ’পহরণ করা হয়।

অউরৈয়ার পু’লিশ সুপার সুনীতি সোমবার জানান, ওই ছাত্রী কোচিং ক্লাসে যাওয়ার সময় একটি গাড়ি রাস্তা আ’টকে দাঁড়ায়। চোখের নি’মেষে তাকে গাড়িতে তুলে চ’ম্পট দেয় অ’ভিযু’ক্তরা। গাড়িতে ছিল চারজন। একটু দূরে নিয়ে গিয়ে, চারজন মিলে ওই তরুণীর উপর হা;মলে পড়ে স’র্বনা’শ করে।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে পু’লিশ জানায়, এই গ’ণধ’র্ষণের ঘটনায় প্রধান অ’ভিযুক্ত একজন সে’নাসদস্য। এলাহাবাদে পোস্টিং রয়েছে তার। পু’লিশ কর্মক’র্তা জানান, অ’ভিযু’ক্ত এলাহাবাদে সেনার কোন ব্যা’টেলিয়নে রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জে চাকুরির খোঁজে গিয়ে গণধ’র্ষণের শিকার তরুণী

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চাকুরির খোঁজে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী এক তরুণী গণধ’র্ষনের শিকার হয়েছে। এই অ’ভিযোগে ইতোমধ্যে ৬ যুবককে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লা মডেল থা*নায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জে’লার ভারপ্রাপ্ত পু’লিশ সুপার মনিরুল ইস’লাম।

সোমবার রাতে সদর উপজে’লার ফতুল্লাধীণ বটতলা এলাকায় শাহাজালাল রোলিং মিল সংলগ্ন ম’সজিদ গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গ্রে’ফতারকৃতরা হলো, রাসেল (৩৮), মো. সুজন মিয়া (২৩), শাহাদাৎ হোসেন (২২), সুমন (২২), রবিন (২৩), মো. আল আমিন (২১)।

সংবাদ সম্মেলনে পু’লিশ সুপার মনিরুল ইস’লাম জানিয়েছেন, গতকাল রাতে মেয়েটি চাকুরির খোঁজে বটতলা এলাকায় রেললাইনের পাশে গিয়েছিল। ওইসময় স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক এমন ঘটনা ঘটায়। আম’রা খবর পেলে অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকটি টিম পাঠিয়ে ৪ জনকে আ’ট’ক করি। পরে রাতের মধ্যেই স্বিকারোক্তি নিয়ে জ’ড়িত আরো দুইজনকে আ’ট’ক করতে সক্ষম হই। এখন শুধু মেডিকেল রিপোর্ট আসলেই মা’মলা’টি শেষ করতে পারবো।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার মেহেদি সিদ্দিক ইম’রান, ফতুল্লা মডেল থা*না ওসি মো. আসলাম হোসেন, ত’দন্ত ওসি মো. মিজানুর রহমান।

বাড়ির ছাদে গাঁজার বাগান

সিলেটের খাদিমপাড়া এলাকার একটি বাড়ির ছাদে গাঁজার বাগানের সন্ধান পেয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার সন্ধ্যার পরে র‍্যাব-৯ এর একটি দল গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে খাদিমপাড়া এলাকার সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের অদূরে একটি বাড়িতে অ’ভিযান চালিয়ে ওই বাড়ির ছাদ থেকে ৩ টি বড় আকারের গাঁজার গাছ জ’ব্দ করেছে।

একইসাথে অ’বৈধভাবে গাঁজার চারা রোপণের অ’প’রাধে আবুল কালাম (৪০) নামে একজনকে আ’ট’ক করেছে র‍্যাব-৯।

র‍্যাব-৯ সূত্র জানায়- আ’ট’ক আবুল কালামকে গাঁজার চারাগুলো কোথা থেকে কিভাবে এনে রোপণ করা হলো এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‘ডাক্তারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম?’

লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশো’ধনী বিল উপস্থাপন করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিল পেশ করার পরই তী’ব্র বিরো’ধিতা করেন বিরোধীরা। সোমবার সকাল থেকেই এই ই’স্যুতে উত্তা’ল ছিল লোকসভা। আজ সন্ধ্যায় এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্র’মণ করেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। একের পর এক প্রশ্ন ছুঁ’ড়ে দেন সরকারের দিকে।

আজ তিনি সরকারকে আক্র’মণ করতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের কথা তুলে আনেন। অভিষেক বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ আজ এই বিল দেখলে চম’কে যেতেন। ১২৬ বছর আগে বিবেকানন্দ যে কথা বলেছিলেন, আজ একেবারে উ’ল্টো কথা বলছে বিজেপি সরকার। বিবেকানন্দের ঐক্যের ধারণা ভে’ঙে, মোদি সরকার বিভে’দের ধারণায় বিশ্বাস করছে।

নাগরিকত্ব বিলে ধর্মের বিভে’দ তৈরি হয়েছে, এমন দাবি আগেও জানিয়েছেন বিরোধীরা। সোমবার সকালেও অধীর চৌধুরি বলেন, সংখ্যাল’ঘুদের বিরো’ধিতা করতেই এই বিল আনা হয়েছে। সে কথা আরো একবার বলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

তিনি বলেন, অসু’স্থ হলে ডাক্তারকে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম? আ্যাম্বুলেন্স ডাকলে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম?

এনআরসি আত’ঙ্কে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক জনের মৃ’ত্যু হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, এই মৃ’ত্যুর দা’য় কার? আজ লোকসভায় অমিত শাহ বলেন, ধর্মীয় কারণে বিতা’ড়িত মানুষদের নাগরিকত্ব দেবার জন্য এই বিল। এই বিলের দ্বারা কোনো মুসলিমের অধি’কার হর’ণ করা হবে না, আইন অনুযায়ী সকলে আবেদন করতে পারবে এবং নাগরিকত্ব লাভ করবে।

আমার হাত কতটুকু লম্বা প্রধানমন্ত্রীও জানেন না: এসআই লতিফ

অক’থ্য ভাষায় গা’লিগা’লাজ ও তিন ছাত্রীকে ইয়া’বা দিয়ে জেলে ঢোকানোর হু’মকির অভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশের এসআই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে। সিলেটের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাহেলা বেগম (৪৫) নামের ভুক্তভোগী এক নারী।

অভিযোগে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাহেলা বেগমের সতীন মনোয়ারা বেগমের (৪০) দেয়া একটি মিথ্যা অভিযোগ তদন্তে বাড়িতে গিয়ে এসআই আব্দুল লতিফ তার কলেজপড়ুয়া তিন মেয়েকে হু’মকি দেন।

এ সময় দারোগা লতিফ অ’কথ্য ভাষায় গা’লিগালা’জ করে তার তিন মেয়েকে ইয়া’বা দিয়ে জেলে ঢো’কানোর হু’মকি দিয়ে বলেন ‘তোদের মতো হাজারও বেহায়া মেয়েদের জেলে ঢু’কিয়ে উচিত শিক্ষা দিয়েছি। আর আমার হাত কতটুকু লম্বা তোরা কেন প্রধানমন্ত্রীও জানেন না’।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার এসআই আব্দুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, মনোয়ারা বেগম তার সতীনের ছেলেমেয়েদের বি’রুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিলে তিনি তদন্তে গিয়ে আইনগতভাবে যা করতে হয় তা তিনি করেছেন।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) ইমাম মোহাম্মদ শাদিদ বলেন, পুলিশ সুপার না থাকায় এই অভিযোগটি তিনিই দেখছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এসআই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল, বাংলাদেশ টুডে

মৌসুমীর আমন্ত্রণে ছুটে এলেন ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতারা

চিত্রনায়িকা মৌসুমী। দর্শকের ভালোবাসায় তিনি প্রিয়দর্শিনী হয়ে আছেন। নব্বাই দশকের মাঝামাঝিতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে শুরু করে আজ অবধি পথ চলছেন তিনি মুগ্ধতা ছড়িয়ে।

প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে অভিনয়ের মুন্সিয়ানায় জয় করেছেন কোটি মানুষের মন। দেশের গন্ডি পেরিয়ে তার ভক্ত ছড়িয়ে আছে বাঙালি অধ্যুষিত বিশ্বের নানা প্রান্তে। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত এই অভিনেত্রীর ভক্ত সমাজের নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

সেই তালিকায় আছেন অনেক রাজনীতিবিদও। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের রাজনীতিপ্রিয় নেতাকর্মীদের কাছে মৌসুমীর গ্রহণযোগ্যতা অনেক। তারই প্রমাণ মিললো গতকাল ৯ ডিসেম্বর, সোমবার।

মৌসুমীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তার বাসায় হাজির হয়েছিলেন ছাত্রলীগ ও ডাকসুর একঝাঁক নেতাকর্মী। মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একটি ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করেছিলেন মৌসুমী।

সেখানে আমন্ত্রণ পেয়ে ছুটে এসেছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম এ কাদের খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, সহ সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শয়ন, তিলোত্তমা শিকদার, ইশরাত জাহান নূর ইভাসহ অনেক নেতৃবৃন্দ।

আরও ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাদের খানসহ আরও অনেক নেতারা। ওমর সানি বলেন, ‘এটা একটা গেট টুগেদার ছিলো। মৌসুমীর আয়োজনে। সবাই এসেছিলেন আন্তরিকতা থেকে। খুব ভালো সময় কেটেছে।’

প্রসঙ্গত, বর্তমানে অভিনয়ে খুব একটা নিয়মিত নন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। আগ্রহী হয়েছেন রাজনীতিতে। গেল সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন এই অভিনেত্রী। সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনেও ছিলেন সভাপতি প্রার্থী।

লোকসভায় ভারতের নাগরিকত্ব বিলের কাগজ ছিঁড়ে ওয়াইসির প্রতিবাদ

ভারতে লোকসভায় নাগরিকত্ব বিলের কাগজ ছিঁড়ে ফেলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিজেপি সরকারের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এমআইএম নেতা আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি।

বিল পেশে আপত্তি জানিয়ে ওয়াইসি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা দেশের মূল কাঠামোর অঙ্গ। এই বিল (মুসলিম হিসেবে) তার বিরোধী। এটি খর্ব করছে মৌলিক অধিকারও। বিলটি আইসম্মত নয়। এই সূত্রে সায়রা বানো মামলা, কেশবানন্দ ভারতী মামলা ও সর্বানন্দ সোনোয়াল মামলার উল্লেখ করেন ওয়াইসি।

বক্তব্যের শেষে জার্মানির হিটলার ও ইসরাইলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ানের সঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তুলনা করেন। পরে ওই অংশ স্পিকারের নির্দেশে লোকসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়।

পরে বিল নিয়ে বিতর্কের সময় বিলের কপি ছিঁড়ে ওয়াইসি বলেন, মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীও দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব কার্ড ছিঁড়ে ফেলেছিলেন।

ওয়াইসি বলেন, এই বিল মুসলিমদের রাষ্ট্রহীন করার চক্রান্ত। যা আরও একবার দেশভাগের দিকে নিয়ে যাবে। সরকারি বেঞ্চের এমপিরা ওয়াইসির এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁদের মতে, এটা সংসদের অপমান।