গৃ’হবধূকে কু’পিয়ে হ’ত্যার পর গ’লায় ফাঁ’স দিলেন স্বা’মী

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় আনোয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক গৃ’হবধূকে কু’পিয়ে হ’ত্যার পর গ’লায় ফাঁ’স দিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন স্বামী লাল মাহমুদ (৫৩)।সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কালিহাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও’সি) হাসান আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নি’হতদের দুই ছেলে প্রবাসে থাকেন। সেখান থেকে মা আনেয়ারা বেগমের নামে টাকা পাঠাতেন ছেলেরা। কিন্তু ছেলেদের পাঠানো টাকা প্রতিনিয়তই স্ত্রীর কাছে চাইতেন লাল মাহমুদ।

এর জে’র ধরে সোমবার রাতে লাল মাহমুদ স্ত্রীর কাছে টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কা’টাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধা’রালো অ’স্ত্র দিয়ে স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে কু’পিয়ে হ’ত্যা করেন তিনি। স্ত্রী’কে হ’ত্যার পর ঘরের আড়ার সঙ্গে গ’লায় ফাঁ’স লা’গিয়ে আত্মহ’ত্যা করেন লাল মাহমুদ।

ও’সি হাসান আল মামুন আরও বলেন, খবর পেয়ে রাতেই কালিহাতী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বারান্দা থেকে আনোয়ারা বেগমের এবং ঘরের ভেতর থেকে ঝু’লন্ত অবস্থায় লাল মাহমুদের ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়। ম’য়নাত’দন্তের জন্য তাদের ম’রদেহ টাঙ্গাইল জে’নারেল হা’সপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়।’

৩৬৫ দিন পর আবারও সুবর্ণচরে গণধ’র্ষণের শি’কার গৃহবধূ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ চর মজিদ আশ্রয়ণ কেন্দ্রে আবারও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষ’ণের শি’কার হয়েছেন এক গৃহবধূ (২৮)। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এর আগে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর একই ঘটনা ঘটে । এদিন উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে স্বামীকে মা’রধর করে সন্তানসহ ঘরের মধ্যে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে (৪০) গণধ’র্ষণ ও পি’টিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ৮ মাস পর ওই উপজেলায় আবারও গৃহবধূকে (২৫) গণধ’র্ষণের ঘটনা ঘটে। এটি উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চর মোজাম্মেল গ্রামের ঘটনা।

এ সময় স’ন্ত্রা’সীরা ওই নারীর বসত ঘরে হা’মলা চালিয়ে লু’টপাট করে সব নিয়ে গেছে। পরে স্থানীয়রা অ’চেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধা’র করে এবং শনিবার বিকেলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। রাতে হাসপাতালে নি’র্যাতি’তা ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করেন চিকিৎসক।নি’র্যাতি’তা ওই নারী জানান, তার দাদি শাশুড়ির মৃ’ত্যুর কারণে স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ঘরে একা ছিলেন। রাত প্রায় দেড়টার দিকে ৯ জন তার দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে। তাদের হাতে দেশীয় বেশ কিছু অ’স্ত্রও ছিল।

এসময় তিনি চিৎকার দিলে অ’স্ত্র দেখিয়ে একজন মুখ চেপে ধরে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে পাঁচজন পালাক্রমে তাকে ধ’র্ষণ করে এবং তার গলায় ও কানে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ছি’নিয়ে নেয়। এ সময় তাকে মা’রধরও করে তারা। তিনি ধ’র্ষণকারী ও হাম’লাকারীদের সবাইকে চেনেন। তারা এলাকার সন্ত্রা’সী।

তিনি জানান, আগামীকাল রোববার (১ ডিসেম্বর) তার দেবরের জা’মিন চাওয়ার জন্য ঘরে ২০ হাজার টাকা রাখা ছিল। ধ’র্ষকরা টাকাগুলোও নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র ত’ছনছ করে এবং ঘরের বেড়া কু’পিয়ে ও পি’টিয়ে ভাঙচুর করে।

ঘরের বাইরে থাকা দুটি বৈদ্যুতিক লাইট খুলে অন্ধকার করে চলে যায়। ধ’র্ষকদের তা’ণ্ডবের আওয়াজে আশপাশের লোকজন এলেও ভয়ে কেউ তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হা’রিয়ে ফেলেন।নি’র্যাতি’তাকে উদ্ধা’রকারী প্রতিবেশী এক নারী জানান, স’ন্ত্রা’সীরা চলে যাওয়ার পর নি’র্যাতি’তাকে অ’চেতন অবস্থায় উদ্ধা’র করে তারা। পরে বিকেলে তাকে প্রথমে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের পরামর্শে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

তিনি আরও জানান, পুরো আশ্রয়ণ কেন্দ্রের আত’ঙ্ক স্থানীয় চেয়ারম্যানের বাহি’নী হিসেবে খ্যাত এ চ’ক্র। তারা আশ্রয়ণের মানুষকে জি’ম্মি করে স’ন্ত্রা’সী কর্মকা’ণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের দ্বারা ওই আ’শ্রয়ণ কেন্দ্রের একাধিক নারী ধ’র্ষণের শি’কার হয়েছে। প্রায় এ ঘটনা ঘটনানো হয়।এ বিষয়ে চরজব্বার থানা পুলিশের ওসি সাহেদ উদ্দিন ভা’ঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নি’র্যাতি’তাকে থানায় লিখিত অভিযো’গ দিতে বলা হয়েছে।

অভি’যোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি। আর সত্যতা না পেলে অভি’যোগকা’রীর বিরু’দ্ধেও আ’ইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প’রকীয়া প্রেমিকের সাথে হাতেনাতে প্রবাসীর স্ত্রী আ’টক

ময়মনসিংহের ফুলপুরে প’রকীয়ার অভিযোগে প্রিয়াঙ্কা সরকার (২৭) ও আনোয়ার (৩০) নামে দুজনকে আ’টক করা হয়েছে। শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৮টায় ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে পৌরসভার গোদারিয়া গ্রাম থেকে তাদের আ’টক করে পু’লিশ।

আ’টককৃত প্রেমিক আনোয়ার হোসেন ত্রিশাল উপজে’লার আমিয়ান ডাঙ্গুরি গ্রামের মৃত নসর উদ্দিনের ছেলে। প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা সরকার কিশোরগঞ্জের বিন্নাটী গ্রামের ফনিন্দ্র সরকারের মেয়ে ও সিঙ্গাপুর প্রবাসী পলব ভৌমিকের স্ত্রী। প্রিয়াংকা এক কন্যা সন্তানের জননী।

ফুলপুর থানার ওসি জানান, আনোয়ার হোসেন উপজেলার গোদারিয়া গ্রামে তার শ্ব’শুরালয়ে থাকতেন। প্রিয়াংকা সিঙ্গাপুর প্রবাসী পলব ভৌমিকের স্ত্রী। প্রিয়াঙ্কা আনোয়ারের শ্বশুরের বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। মাসখানেক ধরে তাদের মধ্যে প’রকীয়ার সম্পর্ক চলছিল।

এলাকাবাসী কারো কাছ থেকে সকালে ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে তাদের হাতেনাতে আ’টক করা হয়, অ’ভিযোগকারীর নামপ্রকাশ করা হয় নি। পরে আ’টক’কৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নাতির সাথে শি’শু শ্রেণিতে পরীক্ষা দিচ্ছেন দাদী

যশোরের অভয়নগর উপজে’লার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলেয়া বেগম। ৬০ বছর বয়সী এই নারী সঠিক সময় শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারেলও বর্তমানে তিনি নিজের নাতির সঙ্গে শি’শু শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে পড়ালেখা শুরু করেছেন।

উপজে’লার মহাকাল বিসিসি মহিলা মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, আলেয়া বেগম শি’শু শ্রেণিতে তার নাতি রহিমের সামনের একটি বেঞ্চ বসে বার্ষিক পরীক্ষা দিচ্ছেন। মোহাম্ম’দ আলী শিকদারের স্ত্রী’ আলেয়া বেগম পরীক্ষা শেষে জানান, এক ছেলে ও দুই মেয়ের মা তিনি। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামী ও ছেলের সংসারে বসবাস তার। দরিদ্র পরিবারে জন্ম হওয়ায় অভাবের তাড়নায় পড়ালেখা করতে পারেননি।

একমাত্র ছেলের সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসার সময় পড়ালেখা করার চিন্তা মাথায় আসে তার। বয়সের কথা চিন্তা না করেই নাতির স্কুলের শিক্ষক শাহনাজ বেগমের কাছে নিজের ইচ্ছার কথা জানান। আলেয়া বেগমের পড়ালেখার আগ্রহ দেখে ওই শিক্ষক চলতি বছর ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে তাকে শি’শু শ্রেণিতে ভর্তি করার ব্যবস্থা করেন।

পরীক্ষা কেমন হয়েছে জানতে চাইলে আলেয়া বেগম বলেন, ‘সব প্রশ্নের উত্তর খাতায় লিখেছি। আপনারা আমা’র জন্য দোয়া করবেন।’ আর কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি নাতিকে নিয়ে বাড়ির পথ ধরেন।

শিক্ষক শাহনাজ বেগম বলেন, ‘শিক্ষা গ্রহণের বয়স লাগে না, ইচ্ছা শক্তির প্রয়োজন হয়। যা প্রমাণ করেছেন আলেয়া বেগম। ভীতি ও লজ্জাকে পেছনে ফেলে নাতির সাথে স্কুলে আসার মধ্য দিয়ে শিক্ষা অর্জন করার চেষ্টা করছেন আলেয়া বেগম।’

স্বে’চ্ছাসেবক লীগ নেতার ধ’র্ষণে অ’ন্তঃস’ত্ত্বা তরুণী, হু’লুস্থুল কাণ্ড

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়ন স্বে’চ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন কর্তৃক ধ’র্ষণের শিকার হয়ে সাত মাসের অ’ন্তঃস’ত্ত্বা এক কিশোরী। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালীরা চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিশোরী ধ’র্ষণের বিষয়টি নিয়ে পুরো এলাকায় হু’লু’স্থুল কা’ণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

ভিকটিমের পরিবার ও কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্বে’চ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহাদাত হোসেনের সাথে ভিকটিম কিশোরী মেয়েটির তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার মেয়েটিকে ধ’র্ষণ করে শাহাদাত। মেয়েটি অ’ন্তঃস’ত্ত্বা হয়ে পড়লে শাহাদাত কিশোরীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

মেয়েটিকে গত এক মাস পূর্বে ভ’য় দেখিয়ে রাজি করিয়ে অ’ন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। বিয়ের পর মেয়েটি অ’ন্তঃস’ত্ত্বার বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে সেখানে বিয়ে ভে’ঙ্গে যায়। এমাতা’বস্থায় মেয়েটি তার অ’ভিভাব’কদের ও এলাকার সমাজপতিদের অ’বহিত করলে বিষয়টি সবাই জেনে যায়।

চরমজলিশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কিশোরী ধ’র্ষণ ও অ’ন্তঃস’ত্ত্বার বিষয়টি জেনেছেন বলে জানিয়েছেন।

শাহাদাত চরমজলিশপুর গ্রামের নূরুল হকের ছেলে।

সোনাগাজী উপজেলা স্বে’চ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনকে স্বে’চ্ছাসেবক লীগ নেতা ক’তৃর্ক ত’রুণী অ’ন্তঃস’ত্ত্বার বিষটি জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আমি বিষটি শুনে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলাম। তদন্ত কমিটির রিপো’র্টে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় স্বে’চ্ছাসেবক লীগের দলীয় পদ থেকে তাকে শু’ক্রবার অ’ব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহাদাত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

তরুণীকে চাকরির প্রলোভনে ঢাকায় এনে ধ’র্ষণ, যুবক গ্রে’ফতার

রাজধানীর ডেম’রা পশ্চিম বক্সনগরে একটি বাসায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে (২৩) একাধিকবার ধ’র্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তরুণীর মা’মলায় অ’ভিযুক্ত আল আমিনকে (৩৯) গ্রে’ফতার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাতে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ধ’র্ষণের শি’কার তরুণীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম জানান, তরুণীর বাড়ি চট্টগ্রামে। সেখানেই একটি গার্মেন্টে চাকরি করে সে। গত ১৪ নভেম্বর ওই তরুণীর পূর্ব পরিচিত আল আমিন তাকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে।

এরপর ডেমরা পশ্চিম বক্সনগরে তার ভাড়া বাড়িতে ওঠায়। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণ করে। গতকাল তরুণী নিজে থানায় গিয়ে আল আমিনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করে।

‘ভাইয়া আমাকে বাঁ’চান’ ছা’ত্রীর ডাকে সাড়া দিলেন ওসি

ভাইয়া আমাকে বাঁ’চান, বাবা-মা জো’র করে আমাকে বিয়ে দিতে চাইছেন। বাবা-মা অনেক দিন পর্যন্ত আমাকে স্কুলেও যেতে দিচ্ছেন না’ ফোন করে ভোলার লালমোহন থা’না পু’লিশের ওসি মীর খায়রুল কবিরকে এসব কথা জানায় এক ছা’ত্রী।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে লালমোহন উপজে’লার নবম শ্রেণির ওই ছা’ত্রীর ফোন পেয়ে ছুটে যান ওসি মীর খায়রুল কবির। পরে ওসি ও স্থানীয় সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় ছা’ত্রী। স্থানীয় ফুলবাগিচা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছা’ত্রী সে।

লালমোহন থা’না পু’লিশের ওসি মীর খায়রুল কবির বলেন, দুপুরে আমা’র ফোনে ওই ছা’ত্রীর কল আসে। ‘ভাইয়া আমাকে বাঁ’চান’ এমন ডাক পেয়েই ছা’ত্রীর বাড়িতে ছুটে যাই। পরে পু’লিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে ছা’ত্রীর মা-বাবার সঙ্গে কথা বলি। অ’প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মে’য়েকে বিয়ে না দিতে বাবা-মাকে সতর্ক করা হয়।

ওসি আরও বলেন, ওই ছা’ত্রীর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে তার পড়ালেখায় বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। কারণ ওই ছা’ত্রীর বাবা গরিব মানুষ। ছা’ত্রীকে পড়ালেখায় সুযোগ দেয়ার আশ্বা’স দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।

গাঁ’জার বস্তার ওপর ঘুমিয়ে পরল আ’টককৃ’ত পা’চা’রকারী

গাঁ’জার বস্তার ওপর অঘোরে ঘুমাচ্ছে পা’চা’রকারী শেখ নয়ন। অনেক ডাকাডাকির পর ঘুম ভাঙে তার।কীভাবে ধরা পড়ল ব’র্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি’র হাতে এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানায় বসে সে জানায় ইতিহাস। নয়ন জানান, ফেনসি’ডিলের নে’শা করতে আখাউড়ায় যায় সে। এসময় সিরাজ নামের পরিচিত এক মা’দক ব্যবসায়ী গাঁ’জার বস্তাটি শহরে পৌঁছে দিতে বলে।

বিনিময়ে এক হাজার টাকা এবং বিনামূল্যে ফেনসিডিল খাওয়ার অফার দেয়া হয় তাকে। পথে বিজিবি ফকিরমুড়া ক্যাম্পের জ’ওয়ানরা গতকাল রাতে তাকে আ’টক করে। সকালে আখাউড়া থানায় পু’লিশে সো’পর্দ করতে নিয়ে আসলে গাঁ’জার বস্তার ওপর ঘুমিয়ে পড়ে নয়ন। সেখানেই গভীর ঘুমে তলিয়ে যায় সে।

সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরশহরের কাউতলী এলাকার বাসিন্দা সহিদ মিয়ার ছেলে। আখাউড়া ফকিরমুড়া বিজিবি ক্যা’ম্পের নায়েক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে গাঁ’জার চালান নিয়ে দুই মা’দক ব্যবসায়ী আসছে বলে গোপন তথ্য পায় ফকিরমুড়া ব’র্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জ’ওয়ানরা। তারই সূত্র ধরে বিজিবির টহলের একটি দল উপজেলার আনোয়ারপুর-আখাউড়া সীমান্ত সড়কে অ’ভিযান চালায়। পরে ২৫ কেজি গাঁ’জাভর্তি বস্তাসহ শেখ নয়নকে আ’টক করা হয়।

তিনি জানান, এ সময় সিরাজ নামক এক চো’রাকারবারি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে মা’দক আইনে মা’মলা দিয়ে আখাউড়া থানায় নয়নকে সোপর্দ করা হয়। ওই মা’মলায় মা’দক ব্যবসায়ী সিরাজকে প’লাতক দেখানো হয়। আখাউড়া থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামী বলেন, ওই যুবককে আদালতের নির্দেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কা’রাগারে সো;পর্দ করা হয়েছে।

যে ৫ দেশে গৃহকর্মী না পাঠাতে হাইকোর্টে রিট

সমঝোতা চুক্তিতে আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৫টি দেশে নারীকর্মী পাঠানো বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অ’পর চার দেশ হলো- ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও জর্ডান। কক্সবাজারের রামু উপজে’লার পশ্চিম সমুদ্রপাড়ার বাসিন্দা রাজিয়া খাতুনের পক্ষে অ্যাডভোকেট জামান আক্তার বুলবুল এ রিট আবেদন করেছেন।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কাম’রুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

রিট আবেদনে আইন, স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ সচিব, পু’লিশের আইজি, চট্টগ্রামের জে’লা প্রশাসক ও চট্টগ্রামের নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারককে বিবাদী করা হয়েছে।

মাদ্রাসাছাত্রকে পি’টিয়ে মে’রে ফেলল শিক্ষক

মাদারীপুর সদর উপজে’লায় শিক্ষকের পিটুনিতে আ’হত আসিব নামে গাছবাড়িয়া কওমী মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।বুধবার দুপুরে এ ঘটনার পর ওই ছাত্রকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে সে মা’রা যায়।

এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে পুলিশ গাছবাড়িয়ার কওমী মাদ্রাসার এক শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আ’টক করেছে।

নিহত আসিব মাদারীপুর সদর উপজে’লার কেন্দুয়া ইউনিয়নের শ্রীনাথদি গ্রামের আনোয়ার মাতুব্বরের ছেলে।

নিহত আসিবের চাচি রোকেয়া বেগম জানান, আসিব দ্বিতিয় শ্রেণির ছাত্র এবং সে মাদ্রাসায় থাকত। বুধবার সকালে আসিবকে পি’টিয়ে আ’হত করেন মাদ্রাসার শিক্ষক ইউসুফ আলী। পরে আবুল বাশার নামের অপর এক শিক্ষক আসিবকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, গাছবাড়িয়া কওমী মাদ্রাসার আসিব নামের দ্বিতীয় শ্রেণির আবাসিক এক ছাত্রকে মা’রধর করে। আ’হতাবস্থায় তাকে আজ দুপুর ৩টার দিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকালে ওই ছাত্র মা’রা যায়।

এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে আবুল বাশার নামের এক শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আ’টক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।