চাঁ’দা না পেয়ে বিকাশের দোকানে যুবলীগ নেতার হা’মলা

লক্ষ্মীপুরে চাঁ’দার দাবিতে বিকাশ এজেন্টের দোকানে হা’মলা চালিয়ে ভাঙচুর ও টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা অনুপম হোসেনের বি’রুদ্ধে। অ’ভিযুক্ত অনুপম সদর উপজে’লার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর হোসেন ভুলুর ভাই। সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজে’লার পুরাতন তেওয়ারীগঞ্জ বাজারের ইকরা এন্টারপ্রাইজের ওই বিকাশ এজেন্টের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। ভু’ক্তভোগী ব্যবসায়ী আবু নোমান খোকন জানান, তিনি স্থানীয় হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত।

যুবলীগ নেতা অনুপম ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হতে চেয়েছেন। কিন্তু সদস্য হতে না পারায় প্রধান শিক্ষক আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বি’রোধে জড়িয়ে পড়েন।

গত ৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষককে মা’রধর করতে অনুপম বিদ্যালয়ে আসেন। শিক্ষক ছুটিতে থাকায় খোকনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অনুপম। একপর্যায়ে অনুপম তাকে চাকরিচ্যুত করার হু’মকি দেন। কিছুদিন পরই যুবলীগ নেতা তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁ’দা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে হ’ত্যার হু’মকি দেন। এই ভয়ে কয়েকদিন খোকন পলাতক ছিলেন। সোমবার রাতে চাঁ’দা না দেয়ায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনুপম তার অনুসারী জামাল ও দিদারকে নিয়ে এসে খোকনের দোকান ভাঙচুর করেন। এ সময় একটি কম্পিউটার ও বিকাশের প্রায় ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা।

নোমানের বাবা আবু ছিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে আমি দোকানে আসি। এ সময় অনুপম আমাকে দোকান বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু দোকান বন্ধ না করায় আমাকে মা’রধর করতে আসেন তিনি। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে টাকা ও কম্পিউটার নিয়ে চলে যান তারা।

এ ব্যাপারে জানতে যুবলীগ নেতা অনুপম হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে ত’দন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চিরতরে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে যা খাবেন

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুর্লভ। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এসব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যে কোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন।

তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম জল খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। অথবা,এক গ্লাস জল একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ জলে দিয়ে দিন। জল অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। জল ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে।

অথবা, ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস জলে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো হল পেটে জ্বালা- পোড়া করা, বদহজম, বমি বমি ভাব, বমি করা, পেটে ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, খাওয়ার পর উপরের পেট বেশি ভরে গিয়েছে অনুভূতি হওয়া ইত্যাদি। খাবার সময়মতো খাওয়া হয়না, বাইরের ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া, জাঙ্কফুড খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে নিস্তার পেতে জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া উপায়-

আলুর রস- ১. গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার অন্যতম ভালো উপায় হলো আলুর রস। আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যার লক্ষণগুলো রোধ করে থাকে। ২. একটি বা দুটো আলু নিয়ে গ্রেট করে নিন। এর গ্রেট করা আলু থেকে রস বের করে নিন। এরপর আলুর রসের সাথে গরম জল মিশিয়ে নিন। এই পানীয় দিনে ৩ বার পান করুন। প্রতি বেলায় খাবার ৩০ মিনিট আগে খেয়ে নিন আলুর রস। তবে অন্তত ২ সপ্তাহ পান করুন এই পানীয়।

আদা- ১. আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান যা গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় জ্বালাপোড়া হলে তা রোধ করতে সাহায্য করে। আদা খেলে বমি সমস্যা, বদ হজম, গ্যাস হওয়া কমে যায় ২. আদার রসের সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। দুপুরে ও রাতে খাওয়ার আগে এটি খেয়ে নিন। ৩. আদা কুচি করে জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০ মিনিট ডেকে রাখুন, এরপর সামান্য মধু মিশিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে নিন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করুন উপকারিতা পেতে। ৪. আপনি চাইলে আস্ত আদা ধুয়ে কেটে চিবিয়েও খেতে পারেন।

দই- ১. প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন। ২. দই আমাদের পাকস্থলীকে এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।

ভারত থেকে আম’দানি করা পাথরবোঝাই ট্রেনে ফেনসিডিল

ভারত থেকে আম’দানি করা পাথর বহনকারী ওয়াগান ট্রেনে অ’ভিনব কায়দায় রাখা ২৩৫ বোতল ফেনসিডিল উ’দ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ফেনসিডিলের চালানটি উ’দ্ধার করা হয়। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় মা’দক ব্যবসায়ী ভারত থেকে বাংলাদেশগামী পাথর বহনকারী ভারতীয় ট্রেনে ফেনসিডিল নিয়ে আসছে এ খবরের ভিত্তিতে সোমবার রাতে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক নুরুল ইস’লামের নেতৃত্বে মা’দকবিরোধী অ’ভিযান পরিচালনা করা হয়।

অ’ভিযানে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে ভারত থেকে বাংলাদেশগামী পাথর বহনকারী ভারতীয় ট্রেনের একটি বগি (বগি নং-৩০০৫৯৮/৬০০৫৮) তল্লা’শি করে পাথরের নিচে রাখা প্লাস্টিকের ব্যাগ উ’দ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো খুলে তার মধ্যে ২৩৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল পাওয়া যায়। এ সময় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও কাস্টমস উপস্থিত ছিল। এ ঘটনায় কাউকে আ’ট’ক করা সম্ভব হয়নি।

নারায়ণগঞ্জে চাকুরির খোঁজে গিয়ে গণধ’র্ষণের শিকার তরুণী

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চাকুরির খোঁজে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী এক তরুণী গণধ’র্ষনের শিকার হয়েছে। এই অ’ভিযোগে ইতোমধ্যে ৬ যুবককে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লা মডেল থা*নায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জে’লার ভারপ্রাপ্ত পু’লিশ সুপার মনিরুল ইস’লাম।

সোমবার রাতে সদর উপজে’লার ফতুল্লাধীণ বটতলা এলাকায় শাহাজালাল রোলিং মিল সংলগ্ন ম’সজিদ গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গ্রে’ফতারকৃতরা হলো, রাসেল (৩৮), মো. সুজন মিয়া (২৩), শাহাদাৎ হোসেন (২২), সুমন (২২), রবিন (২৩), মো. আল আমিন (২১)।

সংবাদ সম্মেলনে পু’লিশ সুপার মনিরুল ইস’লাম জানিয়েছেন, গতকাল রাতে মেয়েটি চাকুরির খোঁজে বটতলা এলাকায় রেললাইনের পাশে গিয়েছিল। ওইসময় স্থানীয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক এমন ঘটনা ঘটায়। আম’রা খবর পেলে অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকটি টিম পাঠিয়ে ৪ জনকে আ’ট’ক করি। পরে রাতের মধ্যেই স্বিকারোক্তি নিয়ে জ’ড়িত আরো দুইজনকে আ’ট’ক করতে সক্ষম হই। এখন শুধু মেডিকেল রিপোর্ট আসলেই মা’মলা’টি শেষ করতে পারবো।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার মেহেদি সিদ্দিক ইম’রান, ফতুল্লা মডেল থা*না ওসি মো. আসলাম হোসেন, ত’দন্ত ওসি মো. মিজানুর রহমান।

বাড়ির ছাদে গাঁজার বাগান

সিলেটের খাদিমপাড়া এলাকার একটি বাড়ির ছাদে গাঁজার বাগানের সন্ধান পেয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার সন্ধ্যার পরে র‍্যাব-৯ এর একটি দল গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে খাদিমপাড়া এলাকার সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের অদূরে একটি বাড়িতে অ’ভিযান চালিয়ে ওই বাড়ির ছাদ থেকে ৩ টি বড় আকারের গাঁজার গাছ জ’ব্দ করেছে।

একইসাথে অ’বৈধভাবে গাঁজার চারা রোপণের অ’প’রাধে আবুল কালাম (৪০) নামে একজনকে আ’ট’ক করেছে র‍্যাব-৯।

র‍্যাব-৯ সূত্র জানায়- আ’ট’ক আবুল কালামকে গাঁজার চারাগুলো কোথা থেকে কিভাবে এনে রোপণ করা হলো এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৌসুমীর আমন্ত্রণে ছুটে এলেন ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতারা

চিত্রনায়িকা মৌসুমী। দর্শকের ভালোবাসায় তিনি প্রিয়দর্শিনী হয়ে আছেন। নব্বাই দশকের মাঝামাঝিতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে শুরু করে আজ অবধি পথ চলছেন তিনি মুগ্ধতা ছড়িয়ে।

প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে অভিনয়ের মুন্সিয়ানায় জয় করেছেন কোটি মানুষের মন। দেশের গন্ডি পেরিয়ে তার ভক্ত ছড়িয়ে আছে বাঙালি অধ্যুষিত বিশ্বের নানা প্রান্তে। ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত এই অভিনেত্রীর ভক্ত সমাজের নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

সেই তালিকায় আছেন অনেক রাজনীতিবিদও। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের রাজনীতিপ্রিয় নেতাকর্মীদের কাছে মৌসুমীর গ্রহণযোগ্যতা অনেক। তারই প্রমাণ মিললো গতকাল ৯ ডিসেম্বর, সোমবার।

মৌসুমীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তার বাসায় হাজির হয়েছিলেন ছাত্রলীগ ও ডাকসুর একঝাঁক নেতাকর্মী। মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একটি ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করেছিলেন মৌসুমী।

সেখানে আমন্ত্রণ পেয়ে ছুটে এসেছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম এ কাদের খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, সহ সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শয়ন, তিলোত্তমা শিকদার, ইশরাত জাহান নূর ইভাসহ অনেক নেতৃবৃন্দ।

আরও ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাদের খানসহ আরও অনেক নেতারা। ওমর সানি বলেন, ‘এটা একটা গেট টুগেদার ছিলো। মৌসুমীর আয়োজনে। সবাই এসেছিলেন আন্তরিকতা থেকে। খুব ভালো সময় কেটেছে।’

প্রসঙ্গত, বর্তমানে অভিনয়ে খুব একটা নিয়মিত নন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। আগ্রহী হয়েছেন রাজনীতিতে। গেল সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন এই অভিনেত্রী। সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনেও ছিলেন সভাপতি প্রার্থী।

আপনার মতো কাগুজে বাঘ সকাল–বিকাল নাশতা খাই, শাজাহান খানকে নিক্সন

মাদারীপুর-২ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও শ্রমিকনেতা শাজাহান খানকে উদ্দেশ করে ‘আপনার মতো কাগুজে বাঘ আমি সকাল-বিকাল নাশতা খাই’ বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন। সাবেক নৌমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন এই তরুণ নেতা।

নিক্সনের এই মন্তব্য ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যাতে শাজাহান খানকে উদ্দেশ করে নিক্সন বলেন, ‘আপনার মতো কাগুজে বাঘ আমি সকাল-বিকাল নাশতা খাই। আমার এলাকার এক কোদাল মাটি যদি কাটা পড়ে, তাহলে আপনার রাজনীতির বারোটা বাজাইয়া তেরোটা কইরা ছাইড়া দেব।’

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের গোবিন্দ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় নিক্সন এসব কথা বলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মধ্যে দিয়ে কুমার নদ বয়ে গেছে। ওই নদের কালামৃধা এলাকায় খননকাজ করছেন সাংসদ শাজাহান খানের ভাই হাফেজুর রহমান খান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদে চর পড়েছে রাজৈর এলাকায়। কিন্তু নদের সেই অংশে খনন না করে ভাঙ্গা উপজেলার অংশে খনন করায় নদের তীরসংলগ্ন একটি বাড়ি ও একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সে বিষয়টি উল্লেখ করে সাংসদ নিক্সন বলেন, ‘পাশের উপজেলায় একটা কাগুজে বাঘ (শাজাহান খান) আছে। এই জায়গার বাঘটা (কাজী জাফর উল্যাহ) ধইরা খাঁচায় ঢুকাইছি, এবার মাদারীপুরের বাঘটাকে ধরব।’

শাজাহান খানকে গণবাহিনীর ডাকাত দাবি করে মজিবুর রহমান বলেন, ‘তেলাপোকাও পাখি আর শাজাহান খানও মানুষ। ওনারে আমি মানুষ মনে করি না, তেলাপোকার মতো পাখি। ওনার ওস্তাদরেই খাইয়া ফেলাইলাম, আর উনি তো কোনো বিষয় না।

আমার সাথে খেলতে আইসেন না। জন্মের পর থেকে আমার বাপে আমারে প্লেয়ার বানাইছে। তাই খেলা আমরাও জানি। আপনার যদি সাহস থাকে, তাহলে নিক্সন চৌধুরীর সাথে মোকাবিলা করেন।’

অন্যদের ছুটি দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধ’র্ষ ণ করল শিক্ষক

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় এক এসএসসি পরিক্ষার্থীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে আলী আকবর খান নামে এক প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।কেন্দুয়া সার্কেলের সিনিয়র অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভু’ক্তভোগী ছা’ত্রীর বরাত দিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, উপজেলার সান্দিকোনা ই’উনিয়নের বাঘবের গ্রামের বাসিন্দা আকবর আলী খান পেশায় একজন প্রাইভেট শিক্ষক। তিনি স্থানীয় বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। ঘটনার দিন অন্য শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট বন্ধ দিয়ে কেবল ওই ছা’ত্রীকে আসতে বলেন আকবর। রোববার সকালে ভু’ক্তভোগী ছা’ত্রী প্রাইভেট পড়তে এলে অন্য শি’ক্ষার্থী না থাকায় আকবর আলী খান তাকে ধ’র্ষণ করেন।

এ সময় তার সহযোগী জুয়েল ও টিটু নামে আরও দুজন আসেন। তাদের মধ্যে জুয়েলও ওই ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণ করেন এবং টিটু সহযোগিতা করেন। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ আকবর আলী খানকে আ’টক করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার রাতেই ওই ছা’ত্রীর বাবা বা’দী হয়ে তিনজনের বি’রুদ্ধে মা’মলা দা’য়ের করেন।

গ্রে’প্তার প্রাইভেট শিক্ষককে আ’দালতে পাঠিয়ে অপর আ’সামিদের গ্রে’প্তারের চে’ষ্টা চলছে। এ ছাড়া স্বা’স্থ্য পরীক্ষার জন্য ভু’ক্তভোগীকে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হা’সপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

ধ’র্ষণে ৬ মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা কি’শোরী, মা বললেন আমার ছেলে ছোট

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ধ’র্ষণে অ’ন্তঃসত্ত্বা এক কি’শোরীকে বিয়ের ছয় দিনের মাথায় তা’লাক দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সদর উপজেলার রসুলপুরের জামাই মেলায় ব্রাহ্মণকুশিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে নাহিদুল ইসলামের (১৮) সঙ্গে তারাবাড়ি গ্রামের এক ভ্যানচালকের মে’য়ের পরিচয় হয়।

পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শা’রীরিক স’ম্পর্ক হয়। ৮ নভেম্বর শা’রীরিক স’ম্পর্কের সময় তাদের আ’টক করে এলাকাবাসী। ওই সময় জানা যায় কি’শোরী অ’ন্তঃসত্ত্বা। আ’টকের পর ওই দিন রাতে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে গালা ই’উনিয়নের কাজি আ. হাইয়ের মাধ্যমে দুই লাখ এক টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে দেয়া হয়।

বিয়ের পর পুত্রবধূকে পরে সময় করে ঘরে তুলবেন বলে কনের পরিবারের দায়িত্বে রেখে আসেন শ্ব’শুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু বিয়ের ছয় দিনের মাথায় ১৩ নভেম্বর টাঙ্গাইল পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের কাজি হজরত আলীর সহায়তায় নববধূকে তা’লাকের নোটিশ দেন স্বামী। তা’লাকের নোটিশ পেয়ে অসহায় হয়ে পড়ে অ’ন্তঃসত্ত্বা নববধূ ও তার হতদ’রিদ্র পরিবার।

ভু’ক্তভোগীর ভাষ্য, বিয়ের প্র’লোভনে আমাকে বার বার ধ’র্ষণ করেছে নাহিদ। বর্তমানে আমি ছয় মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় স্বেচ্ছায় আমাকে বিয়ে করে নাহিদ। পরে পরিবারের চাপে আমাকে তা’লাক দেয় সে।

কি’শোরীর বাবা বলেন, বৃদ্ধ বয়সে ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাই। অ’ন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে নিয়ে কি করব ভেবে পাচ্ছি না। তা’লাকের নোটিশ পাওয়ার পর থানায় লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছি। দুই দফায় ত’দন্ত করলেও মা’মলা নেয়নি পুলিশ।

নাহিদের আত্মীয় ও কান্দুলিয়া গ্রামের মাতব্বর সিদ্দিক হোসেন বলেন, ওই বিয়েতে আমি উপস্থিত ছিলাম। কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ করে তা’লাকের নোটিশ দেয়া ঠিক হয়নি নাহিদের। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

নাহিদের মা নাসিমা আক্তার বলেন, বিয়ের পর মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তা’লাকের নোটিশ দেয়া হয়েছে। আমার ছেলের বয়স কম, ছোট মানুষ। তাই ভুল করেছে সে।

গালা ই’উনিয়নের কাজি আ. হাই বলেন, উভয় পরিবারের লোকজনের সম্মতিতে বিয়ে রেজিস্ট্রি করেছি। তবে মেয়ের বয়স প্রমাণের সুযোগ পাইনি। এ ধরনের বিয়ে আগেও রেজিস্ট্রি করেছি। কোনো ধরনের আইনি সমস্যা হলে তা দেখব আমি।

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের কাজি হজরত আলী বলেন, বিবাহিত পুরুষের যৌক্তিক কারণে তা’লাক দেয়ার অধিকার রয়েছে। একজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ৭(১) উপধারায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তা’লাকের নোটিশ দিয়েছেন নাহিদ। এটা তা’লাক নয়, নোটিশ।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও’সি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, বিয়ে বা তা’লাকের মা’মলা হয় না। এসব বিষয়ে আ’দালতে মা’মলা করতে হয়। এরপরও ভু’ক্তভোগী পরিবারকে সহায়তা দিতে থানায় ধ’র্ষণ মা’মলা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। মা’মলা নেয়ার পর অ’ভিযুক্তের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মিয়ানমারকে বয়কটের ডাক ৩০ মা’নবাধিকার সংস্থার

সংখ্যালঘু রো’হিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বৈশ্বিকভাবে মিয়ানমারকে বয়কটের ডাক দিয়ে এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিশ্বের ১০ দেশের ৩০টি মা’নবাধিকার সংস্থা। নেদারল্যান্ডসের রাজধানী দ্য হেগে আন্তর্জাতিক আ’দালতে রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যার দায়ে মিয়ানমারের বি’রুদ্ধে গাম্বিয়ার দা’য়েরকৃত মা’মলার শুনানি শুরুর একদিন আগে সোমবার বৈশ্বিক এই বয়কটের ডাক দিয়েছে মা’নবাধিকার সংস্থাগুলো।

এই মা’মলায় মিয়ানমারের পক্ষে লড়াইয়ের জন্য রোববার দ্য হেগে পৌঁছেছেন দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সু চি। রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যার দায়ে গত নভেম্বরে গাম্বিয়ার দা’য়েরকৃত এই মা’মলার শুনানি ১০ ডিসেম্বর শুরু হয়ে চলবে তিনদিন।

অং সান সু চির কার্যালয় আমস্টারডামের চিফল বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে। এতে দেখা যায়, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। পরে সেখান থেকে হেগের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

রো’হিঙ্গাদের একাধিক প্রবাসী গোষ্ঠী হেগের আন্তর্জাতিক আ’দালতে গণহ’ত্যার মা’মলার শুনানি চলাকালে বি’ক্ষোভের পরিকল্পনা করছে। মিয়ানমার সরকারের সমর্থনেও সেখানে সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের বি’রুদ্ধে রো’হিঙ্গা মুসলিম গণহ’ত্যার অভিযোগ এনে গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক আ’দালতে মা’মলা করে পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছোট্ট দেশ গাম্বিয়া।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সংখ্যালঘু রো’হিঙ্গা মুসলিমদের বি’রুদ্ধে র’ক্তাক্ত সামরিক অ’ভিযান শুরু করে দেশটির সে’নাবা’হিনী। সামরিক বাহিনীর জ্বালাও-পোড়াও, খু’ন, ধ’র্ষণের মুখে ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রো’হিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। জাতিসংঘ মিয়ানমার সামরিক বাহিনী এই অ’ভিযান গণহ’ত্যার অভিপ্রায়ে পরিচালনা করেছে বলে মন্তব্য করেছে।

আন্তর্জাতিক অ’পরাধ আ’দালতে মা’মলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরুর আগে জাতিসংঘের ১৬ সদস্যের বিচারক প্যানেলকে রো’হিঙ্গাদের সুরক্ষায় অস্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাবে সংস্থাটি।

রো’হিঙ্গা মা’নবাধিকার সংগঠন দ্য ফ্রি রো’হিঙ্গা কোয়ালিশন এক বিবৃতিতে বিশ্বের ১০টি দেশের ৩০টি মা’নবাধিকার সংস্থা একযোগে মিয়ানমারকে বয়কটের এই কর্মসূচি শুরু করেছে বলে জানিয়েছে। বিবৃতিতে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা, বিদেশি বিনিয়োগকারী, পেশাদার এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনকে মি’য়ানমারের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দ্য ফ্রি রো’হিঙ্গা কোয়ালিশন বলছে, এই বয়কটের উদ্দেশ্য মি’য়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি এবং সামরিক বাহিনী নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ওপর অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা।

সূত্র : রয়টার্স।