সু চির বিচারের দাবিতে কক্সবাজার রো’হিঙ্গা ক্যাম্পে বি’ক্ষোভ

মিয়ানমারে রো’হিঙ্গাদের গণহ’ত্যা মা’মলায় নেদারল্যান্ডসের আ’দালতে শুনানি শুরু হচ্চে আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর)। এদিকে অং সান সুচির বিচারের দাবিতে কক্সবাজারে বি’ক্ষোভ করছেন রো’হিঙ্গারা। এদিকে রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যার বিচার দাবি ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির আগমনকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠছে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহর।

সু চির উপস্থিতিতে হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আ’দালতে (আইসিজে) শুরু হচ্ছে মিয়ানমারের বি’রুদ্ধে গণহ’ত্যা মা’মলার শুনানি। শুনানি শেষে আ’দালত মিয়ানমারের অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এদিকে হেগে শুনানির প্রাক্কালে মিয়ানমারকে সর্বতোভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে ৩০টি সংগঠন।

জাতিসংঘ আ’দালতে শুনানি উপলক্ষে হেগে টানা তিন দিন বি’ক্ষোভের ডাক দিয়েছে রো’হিঙ্গা সংগঠনগুলো। মিয়ানমার সরকার সমর্থকরাও সেখানে সমাবেশ করবে। শুনানিতে ওআইসির পক্ষে মা’মলা দা’য়ের করা গাম্বিয়ার আইনজীবীরা ১৬ সদস্যবিশিষ্ট আ’দালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আগেই সাময়িক পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন জানায়।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী শুনানি চলাকালে জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আ’দালতের নিরাপত্তা জো’রদার করা হয়েছে। জানা গেছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অংশ হিসেবে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বি’রুদ্ধে গ্রে’প্তারি পরোয়ানা জারি করা হতে পারে। তবে মিয়ানমার সরকারের প্রধান হিসেবে সু চিকে দায়মুক্তি দেয়া হতে পারে।

বিএনপির রণসংগীত গাইবেন ভারতের নচিকেতা!

ভারতের জনপ্রিয় বাংলা ভাষার সংগীতশিল্পী নচিকেতা বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুণের লেখা রণসংগীত গাইবেন । মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুণ নিজেই সোমবার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনের আন্দোলন সফল করতে রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরই রাজধানীতে রণসংগীতের ক্যাসেটের মোড়ক উন্মোচন করা হবে বলেও তিনি জানান।

অরুণ জানান, রণসংগীতের শুরুটা হবে এভাবে, জাগো বাহে, জাগো বাহে, বাতাসে বারুদের গন্ধ, মিছিলের ডাক শুনতে কি পাও। শিগগিরই গানটি নচিকেতার কণ্ঠে রেকর্ড করা হবে। এখন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।

অরুণ বলেন, যে রণসংগীত তৈরি করা হচ্ছে তা শুধু এখনই নয়। ভবিষ্যতে দেশে দেশে এ রণসংগীত মানুষকে উজ্জীবিত করবে। যেভাবে জিয়াউর রহমান দেশের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

ছাত্রলীগ সভাপতির সামনেই যু’বকের পে’টে ছু’রি ঢু’কিয়ে দিল কর্মীরা

যশোরে সালিশ বৈঠক চলাকালে ছু’রিকাঘাতে জনি হোসেন (২৮) নামে যু’বককে হ’ত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নি’হত জনি একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ওই মোটরসাইকেলটি রেখে পা’লিয়ে যান নরেন্দ্রপুর ই’উনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।

নি’হতের স্বজনরা জানান, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিএম সবুজ হাসান ও বর্তমান সভাপতি শাহিন আলম মাটি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। তারা বিভিন্ন গ্রাম থেকে মাটি কিনে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। সম্প্রতি নরেন্দ্রপুরের হাসিবের জমির মাটি কিনতে চান দুজনই।

এ নিয়ে বি’রোধের সৃষ্টি হলে সোমবার সন্ধ্যার পর নরেন্দ্রপুর মাস্টারপাড়ায় দুপক্ষ সমঝোতা বৈঠকে বসে। সেখানে শাহিন আলম মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে করে ২০-২২ জন কর্মী নিয়ে আসেন।

বৈঠকে সবুজের পক্ষে ছিলেন জনি। বৈঠক চলাকালে শাহিনের কয়েকজন কর্মী জনিকে ডেকে বুকে ছু’রিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়। এ সময় গ্রামবাসী ধাওয়া করলে শাহিন ও তার কর্মীরা দৌড়ে পা’লিয়ে যান। তবে শাহিনের এক পায়ে সমস্যা থাকায় মোটরসাইকেল না নিয়েই অন্য বাহনযোগে পা’লিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের ও’সি মনিরুজ্জামান বলেন, এলাকায় দুপক্ষের দ্ব’ন্দ্বের জে’রে জনিকে ছু’রিকাঘাতে খু’ন করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। মাটি কেনাবেচা নিয়ে দ্ব’ন্দ্ব ছিল। তারই জে’রে হ’ত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় কাউকে আ’টক করা সম্ভব হয়নি। নি’হতের বাবা থানায় এসেছেন। এখনো মা’মলা রেকর্ড হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হলেও মালিক শনাক্ত করা হয়নি।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করছে স্মা’র্টফোন!

সভ্যতার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির অবদান অ’পূরণীয়। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন আবিষ্কার সহ’জ করে দিচ্ছে জীবনযাত্রাকে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের দরুন মোবাইল ফোন আজ যোগাযোগের দ্রুততম মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। গোটা বিশ্বকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু প্রযুক্তির উপকারী একটি মাধ্যম যখন ক্ষতির কারণ হয়, তখন সেটা ভয়াবহ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হাতের মুঠোয় থাকা ফোনটি আজ এমনই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইলের ‘ভয়ংকর’ ব্যবহারে আমাদের দেশের স্কুলপড়ু য়ারা ‘সর্বনাশের’ চরম সীমায় চলে যাচ্ছে।

প্রযুক্তির এ মাধ্যমটি ব্যবহার করে তারা বিনোদনের রঙিন আ’গুনে ঝাঁপ দিচ্ছে। কিছু না বুঝে ওঠার আগেই এ আ’গুনে পুড়িয়ে ফেলছে মূল্যবান সময় ও মেধা। নিজেকে ঠেলে দিচ্ছে এক অশুভ স্রোতের মাঝে। বাংলাদেশে অনলাইন অ’প’রাধ প্রবনতা ব্যাপক বেড়ে গেছে। বেশীরভাগ অ’প’রাধই করছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

বেসরকারি এক জরিপ অনুযায়ী, মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির পেছনে যে কারণগুলো উঠে আসছে এর মধ্যে অন্যতম হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন রগরগে ওয়েবসাইটে সহ’জে প্রবেশ ও গেমস। এ আসক্তি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কি আম’রা কখনও গভীরভাবে ভেবে দেখেছি? কেন কোমলমতি শি’শু-কিশোররা মা’দকের মত মোবাইল আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে? এজন্য কি শুধু তারাই দায়ী? নাকি এর পছনে অন্য কারণও আছে?

অনুসন্ধান দেখা গেছে, বেশীরভাগ স্কুল-কলেজের মেয়েরাই অনলাইন সুরক্ষা স’ম্পর্কে জানেনা। মেয়েরা বিভিন্ন বয়সের পুরুষের মাধ্যমে প্রতারণা স্বীকার হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। স’ম্পর্কের নামে ভিডিও কলের মাধ্যমে এ সকল মেয়েরা নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে, তার মাশুল দিতে হচ্ছে অ’ভিভাবকদের।

ঢাকা মেডিক্যাল লা’শ কা’টাঘর প্রতিদিনই আসছে বিভিন্ন কিশোরীর আত্নহ’ত্যার দেহ। এদের অনেকের বয়স ১৩ থেকে ১৭। যারা অনলাইনে ভিডিও কলসহ ম্যাসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে নানা অ’প’রাধ করতে গিয়ে নিজেরাই প্রতারণার স্বীকার হয়ে আত্নহ’ত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে ভুলেও স্মা’র্টফোন তুলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে অ’ভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিজেই নষ্ট করছে। অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে আমি আরও খুঁজে পেয়েছি অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নিজের ব্যাক্তিগত গো’পন ছবি তুলে দিচ্ছে অন্যের কাছে। যেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের নামে অশান্তি তৈরি হচ্ছে দেশে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের মেস, হোস্টেলে অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে প্রবাসীদের সাথে প্রতারণা করছে।

যেটা আমাদের এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হতে পারে। আমা’র অনুসন্ধান বলছে, বাংলাদেশ থেকে ১৩ থেকে ১৭ বছরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে। এদের অনেকেই গড়ে তুলছে পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন গ্রুপ। যেটা সমাজের চিত্র ভয়ানক করে তুলছে।

অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমা’র চোখে পড়েছে এমন ভয়ানক চিত্র তা তুলে ধ’রা খুবই জরুরী। বেশীরভাগ কিশোর এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন ম্যাসেজ গ্রুপ খুলে সেখানে ছিনতাই, ধ’র্ষণ ও নি’র্যাতন, চু’রিসহ হ’ত্যা পরিকল্পনা করে চলেছে। অ’ভিভাবকদের অসচেতনতাই এগুলো বাড়াচ্ছে বলে আমি মনে করি৷ এই ব্যাপারে আমি অনেক অ’ভিভাবকের সাথে কথা বলে বুঝলাম, সন্তান ঘরে ফিরেছে কিনা, কি করছে এমন তথ্যগুলো জানার জন্যই তারা স্মা’র্টফোন কিনে দিচ্ছে। অনেক শি’শু, কিশোর-কিশোরী শিক্ষার্থীরা পথ হারাচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে। আরও ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার দিনে দিনে মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট করে দিচ্ছে৷ সময় থাকতে স্মা’র্টফোন ব্যবহার বন্ধ করুন ও সন্তান, ছোট ভাইবোনকে দিন বাটন ফোন। যেগুলো ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সারাদিন নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ফোন একদমই নয়৷

লেখক : আরিফ রহমান শিবলী, নির্বাহী পরিচালক, কিডস মিডিয়া ও সদস্য, আমেনেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল।

(খোলা কলামে প্রকাশিত সব লেখা একান্তই লেখকের নিজস্ব মতামত। এর সাথে পত্রিকার কোন স’ম্পর্ক নেই)

এবার ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে দুই ঢাবি শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নি’র্যাতন

ছাত্রদল করার অ’ভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল থেকে দুই শিক্ষার্থীকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ। হল ছাড়া করার আগে তাদের মা’রধর ও মানিব্যাগ থেকে টাকা রেখে দেয়ার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফসার হাসান রানার নেতৃত্বে ওই দুই শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে বলে অ’ভিযোগ ভু’ক্তভোগীদের। আফসার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের (ভারপ্রাপ্ত) অনুসারী।

ছাত্রলীগের মা’রধরের শি’কার ওই দুই শিক্ষার্থীর নাম রাকিবুল হাসান (রাকিব) ও সুমন। এদের মধ্যে রাকিব দ্বিতীয় বর্ষে ও সুমন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা দু’জনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, সুমন হলের ১১১ নম্বর ও রাকিব ১১৩ নম্বর কক্ষে থাকতেন। সুমন তার কক্ষে ঘুমিয়েছিলেন। তাকে ঘুম থেকে তুলে হলের তিন তলায় ছাত্রলীগ নেতা আফসারের রুমে ডেকে নিয়ে যায় অপর ছাত্রলীগ নেতা জিসান। সেখানে প্রথম দফায় মা’রধর করার পর তাকে হলের গেস্টরুম ও হল ছাত্র সংসদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়।

একই কায়দায় রাকিবকেও ঘুম রুম থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। হল শাখা ছাত্রলীগের লাভলু, জুয়েল ও জহির তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভয় ভীতি দেখিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার শি’কার রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন ফেসবুকে লেখালেখি করার কারণে তার প্রতি বিরাগভাজন হয়েছে ছাত্রলীগ। তিনি বলেন, আমকে ঘুম তুলে মা’রধর করেছে। পরে হল থেকে চলে যেতে বলে। আমি ফেসবুকে বিভিন্ন সময় লেখালেখি করি। নিরপেক্ষ থেকে লেখার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে তা সরকার বা ক্ষমতাসীন দলের বিপক্ষে চলে যায়।

মা’রধরের শি’কার অপর শিক্ষার্থী সুমনের মানিব্যাগ থেকে ছাত্রলীগ নেতা আফসার টাকা নিয়ে নিয়েছেন বলে ভু’ক্তভোগী শিক্ষার্থী অ’ভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমার মানিব্যাগে সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিল। আফসার ভাই, আমার মানিব্যাগ থেকে টাকাগুলো নিয়ে নিছে।

বৈধ শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও হল থেকে নি’র্যাতন করে বের দেয়ায় বর্ণনা দিয়ে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি স্যার এ এফ আর হলের বৈধ শিক্ষার্থী। আমি বৈধভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। আমাকে এফ আর হলে সিট দেয়া হয়েছে। তারপরও আমি কেনো হলে থাকতে পারব না? হল কোনো ছাত্র সংগঠনের?

তবে মা’রধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতা আফসার হোসেন রানা। একইসঙ্গে টাকা আত্মসাৎ করার অ’ভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেনো ওদের মানিব্যাগ খোঁজ করতে যাব? আমরা কোনো টাকা নেইনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক কে এম গোলাম রাব্বানী ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়েছেন জানিয়ে বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘এটা হলের ভেতরকার ঘটনা। এটা হল প্রশাসন দেখবে। তারা যদি কোনো সাহায্য চায়, তাহলে আমরা করব।’

হলের প্রধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘আজকে আমি সমাবর্তন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হাউস টিউটির দিয়ে আমি ঘটনার খোঁজ নিয়েছি। আজ রাত ১০টার সময় সময় সবাইকে নিয়ে মিটিং ডেকেছি।

হলে ছাত্ররা বৈধভাবে থাকে, কেউ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে অন্য কোনো ছাত্রকে বের করে দিতে পারে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আমার হাত কতটুকু লম্বা প্রধানমন্ত্রীও জানেন না: এসআই লতিফ

অক’থ্য ভাষায় গা’লিগা’লাজ ও তিন ছাত্রীকে ইয়া’বা দিয়ে জেলে ঢোকানোর হু’মকির অভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশের এসআই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে। সিলেটের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাহেলা বেগম (৪৫) নামের ভুক্তভোগী এক নারী।

অভিযোগে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাহেলা বেগমের সতীন মনোয়ারা বেগমের (৪০) দেয়া একটি মিথ্যা অভিযোগ তদন্তে বাড়িতে গিয়ে এসআই আব্দুল লতিফ তার কলেজপড়ুয়া তিন মেয়েকে হু’মকি দেন।

এ সময় দারোগা লতিফ অ’কথ্য ভাষায় গা’লিগালা’জ করে তার তিন মেয়েকে ইয়া’বা দিয়ে জেলে ঢো’কানোর হু’মকি দিয়ে বলেন ‘তোদের মতো হাজারও বেহায়া মেয়েদের জেলে ঢু’কিয়ে উচিত শিক্ষা দিয়েছি। আর আমার হাত কতটুকু লম্বা তোরা কেন প্রধানমন্ত্রীও জানেন না’।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার এসআই আব্দুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, মনোয়ারা বেগম তার সতীনের ছেলেমেয়েদের বি’রুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিলে তিনি তদন্তে গিয়ে আইনগতভাবে যা করতে হয় তা তিনি করেছেন।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) ইমাম মোহাম্মদ শাদিদ বলেন, পুলিশ সুপার না থাকায় এই অভিযোগটি তিনিই দেখছেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এসআই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল, বাংলাদেশ টুডে

পুলিশ ঘিরে রেখেছে নয়াপল্টন, র‌্যালি করতে পারছে না বিএনপি

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে পূর্বঘোষিত র‌্যালি করতে পারছে না বিএনপি।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বেশ কয়েক প্লাটুন পুলিশ, ডিবি সদস্য ও সাদা পোশাক পরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে।

পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের কলাপসেবল গেটের বাইরে আসেননি। অবশ্য সকাল ১১টা পর্যন্ত কোনো ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটেনি। সকাল সোয়া ১১টার দিকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামেন পুলিশের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। আনা হয় একটি জলকামান।

শুধু কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়, ফকিরেরপুল মোড় ও বিজয়নগর নাইটিংঙ্গেল মোড়েও বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও ডিবি সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থার সদস্যদেরকেও সেখানে দেখা গেছে।

এদিকে থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলামসহ কয়েক শ’ নেতাকর্মী।

এ বিষয়ে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এনামুল হক বলেন, আজ ঢাকা শহরে অনেক যানজট। সরকারি অফিস আদালত খোলা। এরমধ্যে র‌্যালি করলে যান চলাচলে সমস্যা হবে। জনদুর্ভোগ হবে।

তিনি বলেন, যেহেতু বিএনপির র‌্যালি করার অনুমতি নেই তাই করতে দেয়া হবে না। তারপরও যদি করতে চায় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণমাধ্যমকে বলেন, মানবাধিকার দিবসের মত দিনে পুলিশ র‌্যালির মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও করতে দিচ্ছে না। দেশের গণতন্ত্র মানবাধিকারের চিত্র এটিই।

সূত্র : সময়ের কণ্ঠস্বর

এবার নিক্সন চৌধুরীকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটি। সরকারকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বক্তব্য দেওয়ায় তাকে এই আল্টিমেটাম দেয়া হয় বলে জানা গেছে।

গতকাল সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক মো. আল মামুন। মামুন বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকারকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বক্তব্য দেয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সম্মানিত উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খানের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন কর্তৃক কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও কটূক্তি করা হয়েছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

একজন সংসদ সদস্যের নিকট এ ধরনের বক্তব্য কখনোই কাম্য নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বক্তব্য দিয়ে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। সে কারণে তিনি সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা হারিয়েছেন। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে কটূক্তি করাই প্রমাণ করে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকার বিরোধিতা করে স্বতন্ত্র পদে নির্বাচন করেন।

তার সমর্থকদের দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাংচুর, মামলা করেছেন। তার বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতির কাছে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কঠোর কর্মসূচী পালন করবে। তিনি আরো বলেন, শপথ ভঙ্গ করার অপরাধে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণার দাবিতে খুব শীঘ্রই জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

তার বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদে আগামী ১২ ডিসেম্বর সোমবার দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সুলতানা ইসলাম বালা, সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ হোসেন, জিয়া হল শাখার সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম মাহিমসহ প্রমুখ। সূএঃবিডি২৪লাইভ ডট কম

হোটেলে এক কক্ষে অ’বিবাহিত যুগল থাকা অপরাধ নয় : হাইকোর্ট

আবাসিক হোটেলে অ’বিবাহিত যুগলের একসঙ্গে অবস্থান কিংবা রাতযাপন অ’প’রাধ নয়। শুক্রবার এক রায়ে এমনটাই জানালো ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের হাইকোর্ট।শুধু অ’বিবাহিত যুগলকে এক কক্ষে অবস্থানের সুযোগ দেয়ার কারণে কোনো হোটেল বন্ধ করে দেয়া বেআইনি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আ’দালত।

মাদ্রাজ হাইকোর্ট নামে পরিচিত ওই আ’দালতের বিচারপতি এমএস রমেশ রায় বলেন, “দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যখন ‘লিভ-ইন’ করেন তখন তো তা অ’বৈধ নয়, একইভাবে অ’বিবাহিত যুগলদের কোনো হোটেল কক্ষে একসঙ্গে অবস্থান করা ফৌজদারী অ’প’রাধ হতে পারে না।” দেশে এমন কোনো আইন নেই বলে বিচারপতি তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন।

অ’বিবাহিত যুগলকে একসঙ্গে অবস্থানের ‘অ’প’রাধে’ চলতি বছরের জুনে রাজ্যের কোয়েম্বাটোর জেরার একটি লজ সিলগালা করে দেয় প্রশা*সন। লিখিত কোনো নির্দেশনা ছাড়াই জে’লা প্রশাসক কে রাজমনির নির্দেশে ওই লজটি সিলগালা করা হয়। একই সঙ্গে একই অ’ভিযোগে আ’ট’ক করা হয় কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে।

দেশটির একটি রাজনৈতিক দলের নারী শাখার পক্ষ থেকে ওই লজের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। তাদের অ’ভিযোগ, শুধু পরিচয়পত্র দেখেই অ’বিবাহিত তরুণ-তরুণীদের ঘর ভাড়া দিচ্ছে লজটির কর্তৃপক্ষ। যা ‘সংস্কৃতির’ পরিপন্থী। তাই ওই লজের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।

অ’ভিযোগ পাওয়ার পরদিন সকালে রাজস্ব ও জে’লা পু’লিশের একটি দল লজটিতে অ’ভিযান চালায়। কয়েক ঘণ্টার অ’ভিযানে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে সেটি সিলগালা করে দেয় স্থানীয় প্রশা*সন।এমন অ’ভিযানের আইনি ভিত্তি চ্যালেঞ্জ করে আ’দালতের দ্বারস্থ হয়েছিল লজটির মালিক পক্ষ। তারপর বিষয়টি আ’দালতে গড়ায়।

দীর্ঘ শুনানির পর তামিলনাডুর হাইকোর্ট মা’মলার রায়ে জানিয়েছে, শুধু অ’বিবাহিত যুগলদের থাকতে দেয়ার কারণে কোনো আবাসিক হোটেল, লজ বা অ্যাপার্টমেন্ট সিলগালা করে দেয়ার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। কেননা এসব স্থানে কোনো অ’বিবাহিত যুগলের রাত্রীযাপনে বাধা নেই আইনে।

২০২০ সালে ফাইভ জি জগতে পা দেবে বাংলাদেশ: মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২০ সালে ফাইভ জি জগতে পা দেবে বাংলাদেশ। এটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সাত সদস্যের একটি আমেরিকান বিশেষজ্ঞ দলের সাথে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নুর-উর-রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মোহসিনুল আলম, ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাইবার বিশেষজ্ঞ জন পিলেটিস, লিসা জি, ড্যানিয়েল লারসনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমেরিকান দুতাবাসের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে জি ফাইভ-এর রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো শহিদুল আলম এবং সাইবার নিরাপত্তার বিষয় উপস্থাপনা করেন সাইবার থ্রেট ডিটেকশন এন্ড রেজপোন্জ প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. গোলাম সারোয়ার।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভবিষ্যতের পথ ফাইভ জি শুধু কথা বলা বা ব্রাউজ করা প্রযুক্তি হিসেবে দেখা হয় না, এটিকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের মহাসড়ক বলা হয়। ফাইভ জি শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে অভাবনীয় ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ফাইভ জি’র ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। ফাইভ জি সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আগামী ১৬,১৭ এবং ১৮ জানুয়ারি ডিজিটাল মেলায় সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে ফাইভ জি লাইভ দেখানো হবে। এর আগে ২০১৮ সালের পঁচিশ জুলাই ফাইভ জি পরীক্ষামূলক দেখানো হয়েছিল।

সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমেরিকান প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় আমেরিকান মালিকানাধীন কোম্পানির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে অনেক সময় আমাদের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে সে বিষয়টিকে তাদের অবহিত করা হয়েছে।

বিষয়টিকে তারাও গুরত্ব দিয়ে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আমাদের সংকটে ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে গুজব রটানো হয়,জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটানো হয়। নিরাপত্তা বিষয় আগামীতে সরকার এবং কোম্পানি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বলেছে ২০০৮ সালে। সেখানে ২০০৯ সালে বৃটেন, ২০১৪ সালে ভারত। সবশেষ গত পাঁচ ডিসেম্বর পাকিস্তান বলেছে ডিজিটাল পাকিস্তান। আমরা অন্যদের পথ দেখিয়েছি। এ বিষয়ে জাতি হিসেবে আমরা অবশ্যই গর্ব করি।