স্যুট’কেসে তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ, বাবা গ্রে’ফতার

স্যুট’কেসের ভেতরে এক তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। ম’রদেহ তিন টুকরা করা ছিল। এই ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্রের থানে শহর থেকে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

গ্রে’ফতার হওয়া ব্যক্তি ওই তরুণীর বাবা। সম্প্রতি মেয়েটি এক সহকর্মীকে বিয়ে করার কথা জানায় তার বাবাকে। ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সহকর্মী ভিন্ন গোত্রের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ওই তরুণীকে নিজের বাবার হাতে খু’ন হতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অ’ভিযুক্ত অরবিন্দ তিওয়ারি তার মেয়ে প্রিন্সিকে হ’ত্যার পর তিন টুকরো করে স্যুট’কেসে রাখেন। পরে শনিবার রাতে একটি অটোরিক্সায় করে পালিয়ে যান। পরদিন ভোরে ওই স্যুট’কেস উ’দ্ধার করে পু’লিশ।

৩০ ঘণ্টা অ’ভিযান চালিয়ে সোমবার অরবিন্দ তিওয়ারিকে গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়। রোববার ভোরে কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে একটি অটোর ভেতর থেকে ওই স্যুট’কেসটি উ’দ্ধার করা হয়। সেখানকার অটোচালকরাই স্যুট’কেসের ব্যাপারে পু’লিশকে জানিয়েছিলেন। পু’লিশের এক কর্মক’র্তা বলেন, স্যুট’কেসের ভেতর এক তরুণীর দেহ উ’দ্ধার করি আম’রা। সেখানে মাথা ছিল না। কোম’রের নীচের অংশ ছিল। ম’রদেহটি তিন টুকরো করা ছিল।

ঘটনার ত’দন্তে নেমে ওই এলাকার অটোচালকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পু’লিশ। সে সময় এক অটোচালক জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অটোতে এক ব্যক্তি ওই স্যুট’কেস নিয়ে উঠেছিলেন। তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তবে এ নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনও উত্তর না দিয়ে অটোতে স্যুট’কেস রেখে নেমে যান তিনি। এরপর পু’লিশকে খবর দেন আশপাশের অটোচালকরা।

এরপর আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পু’লিশ। এতে দেখা যায়, ওই একই ধরনের স্যুট’কেস নিয়ে ট্রেনে উঠছেন দু’জন ব্যক্তি। তবে এর মধ্যে লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি স্টেশনের কাছে একটি শৌচালয়ে ঢুকলেও সেখান থেকে বের হন সাদা শার্ট পরে। তাতেই সন্দেহ হয় পু’লিশের। সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা যায়, লাল শার্ট পরা অবস্থায় একটি অটোতে উঠছিলেন ওই ব্যক্তি।

ফুটেজে ওই ব্যক্তির চেহারা দেখেই এরপর স্থানীয় এলাকায় তল্লা’শি শুরু করে পু’লিশ। শেষমেশ স্যুট’কেস উ’দ্ধারের প্রায় ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই পু’লিশের কাছে ধ’রা পড়েন অরবিন্দ।

পার্কে দুই কলেজছাত্রীর সামনে মধ্যবয়সীর হ’স্তমৈ’থুন

ভারতের কলকাতার এক পার্কে দুই কলেজছাত্রীর সামনে হ’স্তমৈ’থুন করার অ’ভিযোগ উঠেছে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তির বি’রুদ্ধে। উপস্থিত বুদ্ধির জো’রে সেই অ’ভিযুক্তকে পু’লিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন ওই দুই কলেজছাত্রী। সূত্র: আনন্দবাজার

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) কলকাতার বেহালা থা*নার হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই দুই কলেজছাত্রীর অ’ভিযোগ, গত চার দিন ধরে শেখ সেলিমউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাদের অনুসরণ করছিলেন। রোববার এলাকার এক পার্কে গেলে পিছনে পিছনে পৌঁছে যান চল্লিশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। ছাত্রীরা জানিয়েছেন, পার্কের গেটের সামনে প্রকাশ্যেই হ’স্তমৈ’থুন করতে থাকেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই দুই ছাত্রী পাড়ার লোককে বিষয়টি জানান রবিবারই। ঠিক হয়, পরদিন ফের পার্কে যাবেন ওই তরুণীরা। ওই ব্যক্তি ঘটনার পুনরাবৃত্তি করলে, প্রমাণ জোগাড়ের জন্যে ঘটনা ভিডিও করা হবে। সেই কথা মতোই সোমবার আরও এক বান্ধবীকে নিয়ে পার্কে আসেন তারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ওই ব্যক্তিও।

অ’ভিযোগ, টিকট’ক ভিডিও করার ছলে মোবাইল ক্যামেরা অন করলে, ওই ব্যক্তি ক্যামেরাব’ন্দি হয়ে যায় হ’স্তমৈ’থুনরত অবস্থায়। এই সময়েই পাড়ার লোকেরা হাতেনাতে সেই ব্যক্তিকে ধরেও ফেলে । বেহালা থা*নায় খবর দিলে থা*নার পু’লিশ এসে ওই ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করে। পু’লিশের হাতে ভিডিও ফুটেজটি প্রমাণ হিসেব তুলে দেওয়া হয়। ভিডিওটি খতিয়ে দেখছে পু’লিশ।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ডিসি দক্ষিণ পশ্চিম নীলাঞ্জন বিশ্বা’সকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফোন সুইচ অফ পাওয়া গিয়েছে বেহালা থা*নার ওসিরও।

বোনকে ছাড়া থাকতে পারবেনা, দুইজনকেই বিয়ে করলেন বর

অনেক রকম অদ্ভুত ঘটনা হরহামেশা ঘটে চলেছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড জেলায় ঘটেছে সেরকম অদ্ভুত ঘটনা। এক ব্যক্তি দুই বোনকে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন। এর আগে কলকাতায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দুই বোন একসঙ্গে একজনকেই বিয়ে করেছিল।

তারা একে অপরকে ছেড়ে থাকার কথা কখনো ভাবতেও পারতেন না। সে কারণে বাকি জীবন একসঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এই বিয়ে করেছিলেন এবং শুরু করেছিলেন নিজেদের ব্যবসা।

যদিও একসঙ্গে দু’জনকে বিয়ে করেননি। একজনকে আইন মেনে বিয়ে করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অন্যজন সবকিছু মেনে একসঙ্গে ছিলেন।

তবে এবারে এক অন্য ধরনের ঘটনা ঘটল মধ্যপ্রদেশে। বর দিলীপ নিজের শ্যালিকা রচনাকে বিয়ে করার আগে বিনীতা অর্থাৎ তার বোনকে বিয়ে করেছিলেন। বিনীতা গুরাভেলি গ্রামের সরপঞ্চের মেয়ে। ৯ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়; তাদের তিন সন্তানও রয়েছে।

দিলীপ বলেছেন, প্রথম স্ত্রী বিনীতা তার এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছেন। আর সে কারণেই বিয়ের অনুষ্ঠানে শ্যালিকাকে বিয়ে করার সঙ্গে সঙ্গে আবার নিজের প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন।

এছাড়াও জানা গেছে প্রথম পক্ষের স্ত্রী অসুস্থ। সন্তানদের দেখাশোনা করার জন্য কাউকে প্রয়োজন, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। দিলীপ দাবি করেছেন, প্রথম স্ত্রীরা মতেই একই বিয়ের অনুষ্ঠানে দুজনের গলায় মাল্যদান করেছেন তিনি।

কোচিংয়ে যাওয়ার পথে জনসম্মুখে তরুণীর স’র্বনা’শ করলো সে’নাসদস্য

একের পর এক স’র্বনা’শের ঘটনা ঘটেই চলেছে ভারতের বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে। এবার কোচিং ক্লাসে যাওয়ার পথে লালসার শি’কার হলেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী। গত ২৯ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশের অউরৈয়া জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

তবে ঘটনাটি সামনে এসেছে গত সোমবার। অ’ভিযু’ক্তদের একজন সে’নাসদস্য বলে স’ন্দেহ করছে পু’লিশ। অ’ভিযু’ক্তদের এখনো গ্রে’প্তার করা যায়নি।

অভিযোগ, রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চারজন মিলে তাকে স’র্বনা’শ করে। পু’লিশের দাবি, জনসম্মুখেই তরুণীকে স’র্বনা’শ করা হয়েছে। নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর পরিবার মামলা দায়ের করেছে।

জানা গেছে, ২৯ নভেম্বর কোচিং ক্লাসে যাওয়ার সময় ওই তরুণীকে রাস্তা থেকে অ’পহরণ করা হয়।

অউরৈয়ার পু’লিশ সুপার সুনীতি সোমবার জানান, ওই ছাত্রী কোচিং ক্লাসে যাওয়ার সময় একটি গাড়ি রাস্তা আ’টকে দাঁড়ায়। চোখের নি’মেষে তাকে গাড়িতে তুলে চ’ম্পট দেয় অ’ভিযু’ক্তরা। গাড়িতে ছিল চারজন। একটু দূরে নিয়ে গিয়ে, চারজন মিলে ওই তরুণীর উপর হা;মলে পড়ে স’র্বনা’শ করে।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে পু’লিশ জানায়, এই গ’ণধ’র্ষণের ঘটনায় প্রধান অ’ভিযুক্ত একজন সে’নাসদস্য। এলাহাবাদে পোস্টিং রয়েছে তার। পু’লিশ কর্মক’র্তা জানান, অ’ভিযু’ক্ত এলাহাবাদে সেনার কোন ব্যা’টেলিয়নে রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।

‘ডাক্তারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম?’

লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশো’ধনী বিল উপস্থাপন করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিল পেশ করার পরই তী’ব্র বিরো’ধিতা করেন বিরোধীরা। সোমবার সকাল থেকেই এই ই’স্যুতে উত্তা’ল ছিল লোকসভা। আজ সন্ধ্যায় এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্র’মণ করেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। একের পর এক প্রশ্ন ছুঁ’ড়ে দেন সরকারের দিকে।

আজ তিনি সরকারকে আক্র’মণ করতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের কথা তুলে আনেন। অভিষেক বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ আজ এই বিল দেখলে চম’কে যেতেন। ১২৬ বছর আগে বিবেকানন্দ যে কথা বলেছিলেন, আজ একেবারে উ’ল্টো কথা বলছে বিজেপি সরকার। বিবেকানন্দের ঐক্যের ধারণা ভে’ঙে, মোদি সরকার বিভে’দের ধারণায় বিশ্বাস করছে।

নাগরিকত্ব বিলে ধর্মের বিভে’দ তৈরি হয়েছে, এমন দাবি আগেও জানিয়েছেন বিরোধীরা। সোমবার সকালেও অধীর চৌধুরি বলেন, সংখ্যাল’ঘুদের বিরো’ধিতা করতেই এই বিল আনা হয়েছে। সে কথা আরো একবার বলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।

তিনি বলেন, অসু’স্থ হলে ডাক্তারকে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম? আ্যাম্বুলেন্স ডাকলে জিজ্ঞেস করেন হিন্দু না মুসলিম?

এনআরসি আত’ঙ্কে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক জনের মৃ’ত্যু হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, এই মৃ’ত্যুর দা’য় কার? আজ লোকসভায় অমিত শাহ বলেন, ধর্মীয় কারণে বিতা’ড়িত মানুষদের নাগরিকত্ব দেবার জন্য এই বিল। এই বিলের দ্বারা কোনো মুসলিমের অধি’কার হর’ণ করা হবে না, আইন অনুযায়ী সকলে আবেদন করতে পারবে এবং নাগরিকত্ব লাভ করবে।

লোকসভায় ভারতের নাগরিকত্ব বিলের কাগজ ছিঁড়ে ওয়াইসির প্রতিবাদ

ভারতে লোকসভায় নাগরিকত্ব বিলের কাগজ ছিঁড়ে ফেলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিজেপি সরকারের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এমআইএম নেতা আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি।

বিল পেশে আপত্তি জানিয়ে ওয়াইসি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা দেশের মূল কাঠামোর অঙ্গ। এই বিল (মুসলিম হিসেবে) তার বিরোধী। এটি খর্ব করছে মৌলিক অধিকারও। বিলটি আইসম্মত নয়। এই সূত্রে সায়রা বানো মামলা, কেশবানন্দ ভারতী মামলা ও সর্বানন্দ সোনোয়াল মামলার উল্লেখ করেন ওয়াইসি।

বক্তব্যের শেষে জার্মানির হিটলার ও ইসরাইলের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ানের সঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তুলনা করেন। পরে ওই অংশ স্পিকারের নির্দেশে লোকসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়।

পরে বিল নিয়ে বিতর্কের সময় বিলের কপি ছিঁড়ে ওয়াইসি বলেন, মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীও দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব কার্ড ছিঁড়ে ফেলেছিলেন।

ওয়াইসি বলেন, এই বিল মুসলিমদের রাষ্ট্রহীন করার চক্রান্ত। যা আরও একবার দেশভাগের দিকে নিয়ে যাবে। সরকারি বেঞ্চের এমপিরা ওয়াইসির এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁদের মতে, এটা সংসদের অপমান।

মুসলিম বিশ্বের ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ হলেন ইমরান খান

‘মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার-২০২০’ মনোনীত হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জ’র্ডানভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত মুসলিম ব্য’ক্তিত্বেরতালিকায় ইমরান খানকে এ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। জর্ডানের আম্মানভিত্তিক রয়্যাল ইসলামিক স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার ‘দ্য মুসলিম ফাইভ হান্ড্রেড’ নামে বিশ্বজুড়ে প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকা প্রকাশ করেছে।

এবছর তালিকার এক নম্বরে রয়েছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম মুফতি তাকি উসমানি। সার্বিক তালিকায় ১৬ নম্বরে রয়েছেন ইমরান খান। ২০১৯ সালের মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার-মনোনীত হয়েছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডা. মাহাথির মোহাম্মদ। ‘দ্য মুসলিম ফাইভ হান্ড্রেড’ প্রকল্পের চীফ এডিটর প্রফেসর আবদুল্লা শেলিফার অর্থনৈতিক সংকটের শক্তিশালী মোকাবেলা ও

কাশ্মীর ইস্যুতে অসামান্য ভূমিকার জন্য ইমরান খানকে ‘মুসলিম ম্যান অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত করেন। তালিকায় মুসলিম উইমেন অব দ্য ইয়ার হয়েছেন ফিলিস্তিন বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিব।রয়্যাল ইসলামিক স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার জানিয়েছে, ‘বর্তমান বিশ্বে সাবেক ক্রিকেটার তারকা ইমরান খান, যিনি ২০১৮ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন,

তিনি এটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তার শীর্ষস্থানীয় অগ্রাধিকারগু’লির একটি হল ভারতের সঙ্গে স্থায়ী শান্তির জন্য কাজ করা। তিনি বাণিজ্য ও কাশ্মীর বিরোধ সমাধানের মাধ্যমে সম্পর্ককে স্বাভাবিক করতে চেয়েছেন। ’

একজনকেও ভারত থেকে তাড়াতে দেবেন না মমতা

ভারতের লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পাশের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি ভারত থেকে কাউকে তাড়াতে দেবেন না।

সোমবার খড়গপুরে এক সমাবেশে মমতা নাগরিকত্ব সংশোধন বিল (সিএবি) এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) কে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ বলেও মন্তব্য করেছেন।

ভারতজুড়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব সংশোধন বিল উত্থাপন করেন। বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৯৩টি এবং বিপক্ষে পড়েছে ৮২টি ভোট।

বিলটি পাশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আসুন জোট বাঁধি। একটা লোককেও দেশ থেকে তাড়ানো চলবে না। নো এনআরসি। কোনও বিভাজন হবে না, নো ডিভাইড অ্যান্ড রুল।’

মমতা আরও বলেন, ‘সিএবি বলুন, আর এনআরসি বলুন, কয়েনের এ পিঠ আর ও পিঠ।’ ‘আমরা সবাই নাগরিক, সবাই ভোট দিই। সবারই রেশন কার্ড আছে।

কারও একটা স্কুল সার্টিফিকেট আছে, কারও একটা কাজ করার সার্টিফিকেট আছে, কারও জমির পাট্টা আছে। কিছু না কিছু তো আছে। তা হলে আবার নাগরিকত্ব নিয়ে কিসের প্রশ্ন?’ জানতে চান মমতা।

উল্লেখ্য, সোমবার লোকসভায় বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পাস হয়েছে। এর আগে ৪ ডিসেম্বর প্রস্তাবিত বিলটি ভারতের মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পায় । ১১ ডিসেম্বর এই বিল রাজ্যসভায় উত্থাপিত হতে পারে।

বিলটি পাস হলে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ, যারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে রয়েছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা।

ইয়াবা দিয়ে কলেজে পড়ূয়া তিন মে’য়েকে ফাঁ’সানোর হু’মকি এস’আইয়ের

ইয়াবা দিয়ে কলেজে পড়ূয়া একই পরিবারের তিন বোনকে জে’লে ঢোকানোর হু’মকি দিয়েছেন বিশ্বনাথ থানার এসআই আব্দুল লতিফ। গত বৃহস্পতিবার মনোয়ারা বেগম নামের এক না’রীর অভিযোগ ত’দন্তে গিয়ে এসআই লতিফ মনোয়ারার সতিনের কলেজে পড়ূয়া তিন মেয়েকে এভাবে হু’মকি দেন। এসআই আব্দুল লতিফের বি’রুদ্ধে হু’মকির এমন অ’ভিযোগ এনে গতকাল রোববার সিলেটের পু’লিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মনোয়ারার সতিন রাহেলা বেগম। তিনি উপজে’লা সদরের পার্শ্ববর্তী জানাইয়া গ্রামের আশিক আলীর স্ত্রী।

২০১০ খ্রিষ্টাব্দে তিন ছেলে এবং এক মেয়েকে ফেলে রাহেলার স্বামী আশিক আলীকে ভ’য় দেখিয়ে বিয়ে করেন মনোয়ারা। এরপর থেকে আগের পক্ষের তিন ছেলেকে দিয়ে প্রতিনিয়ত রাহেলা ও তার সন্তানদের হু’মকি-ধমকি দেন মনোয়ারা।

আশিক আলী টাকার জন্য প্রথম স্ত্রী রাহেলার ছেলে ইমামুল ইসলামের কাছে বাড়ির ৯টি গাছ চার হাজার টাকায় বিক্রি করেন। গত বুধবার ওই গাছ কা’টার সময় মনোয়ারা থানায় গিয়ে ইমামুলের বি’রুদ্ধে জো’রপূর্বক গাছ কা’টার অ’ভিযোগ করেন। রাতে অ’ভিযোগ ত’দন্তে গিয়ে উভ’য়পক্ষকে ঝগড়াঝাটি না করতে বলেন এসআই দেবাশীষ শর্ম্মা।

এর পরদিন বৃহস্পতিবার আবারও মনোয়ারা থানায় গিয়ে অ’ভিযোগ করেন, রাহেলার ছেলেমেয়েরা তাকে মা’রধর করেছে। ওই দিন দু’বার তাদের বাড়িতে যান এসআই আব্দুল লতিফ। এ সময় তিনি কলেজ পড়ূয়া মেয়েদের ইয়াবা দিয়ে জে’লে ঢোকানোর হু’মকি দেন। এস’আই আব্দুল লতিফ ঘটনার সত্যতা স্বী’কার করে বলেন, অ’ভিযোগ ত’দন্তে গিয়ে যা করতে হয় তা তিনি করেছেন।

সিলেটের দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার ইমাম মোহাম্মদ শাদিদ বলেন, অ’ভিযোগ প্রমাণিত হলে এসআইয়ের বি’রুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী তিনি

ফিনল্যান্ডের সোস্যাল ডেমোক্রেট দল থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রোববার নির্বাচিত হয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী সানা মেরিন।

এর আগে তিনি পরিবহনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সানা কেবল নিজের দেশেই নন বরং বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস রচনা করলেন।

ফিনল্যান্ডে এর আগে এত কম বয়সে কেউ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেনি।

রোববার এক ভোটাভুটিতে নির্বাচিত হন সানা। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তি রিনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার আস্থা ভোটে হেরে পদত্যাগ করেন অ্যান্তি রিনে।

রোববার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সানা বলেন, পুনরায় বিশ্বা’স অর্জনের জন্য আমাদের একত্রে অনেক কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি কখনও কাজের ক্ষেত্রে আমা’র বয়স বা আমি মেয়ে নাকি ছেলে তা নিয়ে ভাবিনি।

৩৪ বছর বয়সী সানার আগে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ওলেসি হংচারুক ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তার বয়স ৩৫ বছর। চলতি বছরের আগস্টে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

ফিনল্যান্ডে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে।

ডাক বিভাগের ৭শ কর্মীর মজুরি কমানোর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সংকটে পদত্যাগে বাধ্য হন অ্যান্তি রিনে। মঙ্গলবার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন সানা।