রাজীব সাহেবের দুই ছেলেই বিয়ে করেছে, কিন্তু কুলসুম মেম বেচারী নিজের বলতে আজও কিছু নেই : দেবী গাফফা

আঅভিনেতা রাজীবের জীবনি সিনেমার থেকে কোন অংশে কম নয়।তার জীবনী থেকে জানা যায় তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষ ছিলেন। কাছের মানুষের সুখ-দুঃখ থেকে শুরু করে সকল বিষয় খেয়াল রাখবেন তিনি। নিজের জীবনে সুখ দুঃখ মিশ্রণ ছিল। দেবী গফফার রাজীবের জীবনী লিখতে গিয়ে লিখেছেন অনেক কিছুই। এবার তিনি একজন

রাজিব এর জীবনী ১৪ তম পর্ব লিখেছেন। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তা তুলে ধরা হলো:-

অনেক কিছুই লেখার থাকে, লেখা হয়ে উঠে না। সব কথা সময়মত মনেও আসে না। রাজীব সাহেব এর ছোট বেলা, পাশের বাসার চাচার উঠান পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। সেই চাচা বলতেন, কিগো মিয়া তুমি তো পড়াশোনা করতে করতে আমার উঠানের ঘাস মেরেফেলবে। বড় হয়ে আমাকে চাকরি দিও, হাহা করে হাসতেন। ছোট্ট বুকে জ্বালা ধরা হাসি। উনি দেখিয়ে দিতেন, একটা বাচ্চাকে কত রকমের অপমান করা যায়। ঐ চাচার কাজ

ছিলো সারারাত যাত্রা দেখা, দিনে উঠানে বসে হুক্কা টানা। এই ধরনের জীবনযাপনে এক সময় উনার জায়গা জমি সব বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে যান। রাজীব সাহেব তিতাসে থাকা

কালে একদিন ঢাকা আসলেন। উনার সব অবস্থা শুনে বললেন, এখন কি করেন? চাচা বললেন, ’বাবা নদীতে মাছ ধরে খাই।’

রাজীব সাহেব তখনই তিতাস এ চাচার চাকরির ব্যবস্থা করলেন। ওই চাকরির টাকায় চাচা বড় দোতলা বাড়ি করলেন, ছেলে মেয়ে বিয়ে দিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন এর শেষ দিনগুলো পার করলেন। কেরামত চাচা একদিন ফোন করে বললেন উনার বাসায় যাওয়ার জন্য। রাজীব সাহেব এর সময় না থাকায় চাচা আমাদের বাসায় আসলেন। সেই টেডী রাজীবের বাসায়। এর পর মাঝে মাঝেই আসতেন। রাজনৈতিক ব্যাপারগুলো নিয়ে রাজীব সাহেব এর পরামর্শ নিতেন। আসলেই বলতেন, বৌমা তোমার হাতের সেই কাঁচ কলা দিয়ে সিং মাছের ঝোল খাবো।

মারা যাওয়ার আগে ও বলতেন, ’বৌমার হাতের সিং মাছের ঝোল খাবো।’ সেই মামী যিনি পাকিস্তানি আর্মিদের হাত থেকে রাজিব সাহেবকে বাঁচিয়েছিলেন এক সময় অসুস্থ হলে ঢাকায় আমার বাসায় আনি।

যথাসাধ্য মামীর চিকিৎসা করে সেবা যত্ন দিয়ে সুস্থ করে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম। মামীর নাতনীকেকে চাকরি ঠিক করে দিই, টঙ্গী চেরাগ আলি সরকার সাহেব এর হাই স্কুল এ। লালমাটিয়া থাকতে আজম আসলো অসুস্থ হয়ে, বউ বাচ্চাসহ পাঁচজন। পিজিতে ভর্তি করালাম।

ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লো।আমার হাতের খাবার ছাড়া খেতেন না। সকালে বাজার করে রান্না করে বাচ্চাদের বাসায় রেখে প্রতিদিন পিজিতে খাবার নিয়ে যেতাম। যথাসাধ্য উনার সেবা যত্ন করেও উনাকে বাঁচাতে পারিনি। আমার হাতেই মারা গেলেন। সমস্ত খরচ দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিই। আজমের সেই বোনের ছেলেকে ঢাকা এনে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়। তাদের সেই রমরমা অবস্থা না থাকায় আজমের বোন, বোন জামাই ঢাকা আসে। অনুরোধ করে ছেলের চাকরির জন্য। এখন ছেলে ভালো ইনকাম করে। ভালো আছে।

কুলসুম মেম মোটামুটি ভালো আছে। রাজীব সাহেব এর দুই ছেলেই বিয়ে করেছে, বউ বাচ্চা নিয়ে ভালো আছে। কিন্তু কুলসুম মেম বেচারী, তার নিজের বলতে তখনও কিছু

ছিলো না আজও নেই। ছেলেরা ঠেলাঠেলি করে দুইদিন এই ছেলের বাসায় ঠাই হলে আবার আর এক ছেলের বাসায় যেতে হয়। মেয়েদের আসলে নিজের বলতে কিছু নেই।

উনি ভালো নেই। আমি সব শুনি। কুলসুম মেমকে খবর পাঠিয়েছিলাম, ওখানে উনার অসম্মান হলে উনি যেনো আমার কাছে চলে আসেন। কথা দিয়েছি সম্মানের উঁচু জায়গাটা উনার জন্য থাকবে। উনি আসেননি। এই সমাজের নিয়ম ভেঙে হয়তো উনি আসতে পারবেন না। তেমনি মা হালিমাকেও বলেছি, কষ্ট হলে যেনো আমার কাছে চলে আসেন।

আমার এই লেখা নিশ্চয়ই মাসুদ মামুনও পড়ছে। অনুরোধ থাকবে ওরা যেনো ওদের মা’কে ভালো রাখে। নতুবা প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করবে না। পরিশেষে বলবো, অমি সাহেব এর সুনজর না থাকলে আমার এই লেখা এত বর্ণনা কোন কিছুই সম্ভব হতো না। অমি সাহেব এর কাছে বরাবরই কৃতজ্ঞ। নিখাদ ভালো মানুষ। ভালো থাকুক সাহেব। আবার কখনো নতুন কোন লেখা নিয়ে আপনাদের দরবারে হাজির হবো। আপনাদের ভালোবাসায় আমি, আমার পরিবার মুগ্ধ।

উল্লেখ্য, নায়ক থেকে শুরু করার রাজিব এর জীবন শেষ পর্যন্ত খলনায়ক হিসেবে থামে। বাংলাদেশের তারছেড়া আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। বিনোদন জগতের তাকে সবাই সম্মান শ্রদ্ধা করতেন। দেবি গফফারের লেখনীর মাধ্যমে তার জীবনে অনেক অজানা গল্প জানতে পেরেছে মানুষ। তবে আজকের লেখনির পর লেখিকার লেখায় বোঝা যাচ্ছে তিনি এখানেই রাজীবের জীবনির লেখার শেষে টেনেছেন।

আল্লাহ যেন সব গুনাহ মাফ করে দেন, শেষ সিনেমা নিয়ে পপি

একসময় চিত্রনায়িকা ছিলেন, ছবির প্রয়োজনে পরেছেন ছোট পোশাক। তবে এখন তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে নারাজ। হাঁটছেন ইসলামের পথে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তিনি পুষ্পিতা পপি। আগামী শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ‘গার্মেন্টস শ্রমিক জিন্দাবাদ’। আর এতে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন সাবেক এই অভিনেত্রী। আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) পুষ্পিতা পপি এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ভালো লাগছে যে আমার অভিনীত শেষ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাচ্ছে।

ভালো লাগার কারণ হচ্ছে, এর পর আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে দর্শক আমাকে দেখতে পাবে না। আমি আর চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই না। আমি এখন নামাজ-রোজা নিয়ে বাঁচতে চাই। ধর্মের পথে হাঁটতে চাই।’ চলচ্চিত্রে ছোট পোশাক পরা প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘আসলে যখন কাজ করেছি, তখন সেই চরিত্র পর্দায় ফুটিয়ে তোলাই ছিল মূল লক্ষ্য। আমি সব সময় মনোযোগ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি।

যে কারণে ছোট পোশাক বা বড় পোশাক আমার কাছে বিষয় ছিল না। চরিত্রের প্রয়োজনে ছোট পোশাক পরে অভিনয় করেছি।’ অভিনয় ছেড়ে এখন ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করছেন পুষ্পিতা পপি। বলেন, ‘আমি এখন একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করছি। জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ তো করতেই হবে। সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আল্লাহর পথে হাঁটতে পারি। আল্লাহ যেন আমার সব গুনাহ মাফ করে দেন।’

‘গার্মেন্টস শ্রমিক জিন্দাবাদ’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান বাবু। ছবিতে পুষ্পিতা পপির বিপরীতে অভিনয় করেছেন কাজী মারুফ। ছবির কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা কাজী হায়াৎ। ‘ঠোকর’, ‘প্রেম হতেই পারে’ ও ‘ফাগুনের আগুন’—এ তিনটি চলচ্চিত্র অসমাপ্ত রয়েছে পুষ্পিতা পপির। ২০১৪ সালে আগে যদি জানতাম ‘তুই হবি পর’ ছবির মধ্যেমে চলচ্চিত্র যাত্রা করেন তিনি।

ছবিটি পরিচালনা করেন মনতাজুর রহমান আকবর। ত্রিভুজ প্রেমের গল্পের এ ছবিতে পুষ্পিতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন অভি, আরিয়ান শাহ। আর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ধূসর কুয়াশা’।

মায়ের চু’ম্বন দৃশ্য দেখে কন্যার প্রতিক্রিয়া!

ভারতীয় টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ শ্বেতা তিওয়ারি। ‘কসৌটি জিন্দেগি কি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন শ্বেতা। কিন্তু সম্প্রতি একেবারে নতুন রূপে ধরা দিলেন শ্বেতা। বালাজি অল্টের ‘হাম তুম অওর দেম’ শো’তে অভিনয় করছেন তিনি। ট্রেলারেই একেবারে সা’হসী অবতারে ধরা দিয়েছেন শ্বেতা।

ট্রেলারে শ্বেতা তিওয়ারির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে দেখা যাচ্ছে অ’ক্ষয় ওবেরয়কে। যেখানে দুই প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষের বিয়ে ভা’ঙার পর তাঁদের ভালবাসার নতুন মানুষের সঙ্গে সন্তানদের জীবনের টানাপোড়েন কে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এমন সাহসী দৃশ্যে অ’ভিনয় করে বেশ ভয় পেয়েছিলেন শ্বেতা। নিজেই পিঙ্কভিলার চ্যাট শোয়ে সে কথা জানিয়েছেন তিনি।

শ্বেতা এই প্রসঙ্গে বলেন, আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম। প্রোমোটা দেখেই নির্মাতাদের জিজ্ঞাসা করি এটা আমি আমার মা, পরিবার ও বন্ধুদের কীভাবে দেখাবো? ওরা কীভাবে নেবেন?

শ্বেতা তাঁর মেয়ে পলককেও এই প্রোমোটা পাঠান। সে এই ভিডিও দেখে কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, তাও সাক্ষাৎকারে জানান শ্বেতা। তাঁর কথায়, আমি ট্রেলারটা পলককে পাঠাই এবং বলি, তুমি নি’র্দ্বিধায় বলো কেমন হয়েছে। ও বলে, ওর খুব পছন্দ হয়েছে। তার পরে নির্মাতাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করি।

এছাড়াও এই মুহূর্তে ‘মেরে ড্যাডি কি দুলহান’ নামে একটি টিভি ধারাবাহিকেও অ’ভিনয় করছেন শ্বেতা।

ফিল্মি স্টাইলে মিথিলাকে বিদায় স্বামী সৃজিতের

গত শুক্রবার বিয়ে করেছেন সৃজিত মুখার্জি ও রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরের দিনই স্বামীকে নিয়ে শনিবার পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর সুইজারল্যান্ড।

কিন্তু এই যাত্রা হানিমুনের জন্য নয়, সেখানে পিএইচডি করবেন মিথিলা।

এদিকে বলিউডি সিনেমার সংলাপের আদলে মিথিলাকে বিদায় দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন স্বামী সৃজিত। তাকে উদ্দেশ্য করে নিজের ইন্সটাগ্রামে লিখেছেন, ‘যা সিমরান যা, করলে আপনি পিএইচডি।’

ছবিসহ এই পোস্ট রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ‘দিল ওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ সিনেমার অমরেশ পুরীর সেই আইকনিক সংলাপ দিয়ে নতুন বউকে বিদেশ পাঠাচ্ছেন তিনি!

বিয়ের পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডে পিএইচডি করবেন তিনি। ওখানে কাজ শেষের পর অল্প দিনের জন্য হানিমুনে যাবেন গ্রিসে।

বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী তিনি

ফিনল্যান্ডের সোস্যাল ডেমোক্রেট দল থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রোববার নির্বাচিত হয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী সানা মেরিন।

এর আগে তিনি পরিবহনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সানা কেবল নিজের দেশেই নন বরং বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস রচনা করলেন।

ফিনল্যান্ডে এর আগে এত কম বয়সে কেউ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেনি।

রোববার এক ভোটাভুটিতে নির্বাচিত হন সানা। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তি রিনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। এর আগে গত মঙ্গলবার আস্থা ভোটে হেরে পদত্যাগ করেন অ্যান্তি রিনে।

রোববার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সানা বলেন, পুনরায় বিশ্বা’স অর্জনের জন্য আমাদের একত্রে অনেক কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি কখনও কাজের ক্ষেত্রে আমা’র বয়স বা আমি মেয়ে নাকি ছেলে তা নিয়ে ভাবিনি।

৩৪ বছর বয়সী সানার আগে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ওলেসি হংচারুক ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তার বয়স ৩৫ বছর। চলতি বছরের আগস্টে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

ফিনল্যান্ডে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে।

ডাক বিভাগের ৭শ কর্মীর মজুরি কমানোর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সংকটে পদত্যাগে বাধ্য হন অ্যান্তি রিনে। মঙ্গলবার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন সানা।

কী হতো বলে গেলে: তাহসান

এই সময়ের আ’লোচিত তারকা শিল্পী, অ’ভিনেতা তাহসান রহমান খান।তার জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তরুণ-ত`রুণীদের পছন্দের তারকা তিনি।

গান-অ’ভিনয় সবখানেই জয়জয়কার তার। তাহসান নিজের ব্যক্তিত্বের কারণেও ভক্তদের ভীষণ পছন্দের। মিথিলার সঙ্গে ডিভোর্সের পর একদমই চুপ থেকেছেন।

সম্প্রতি বেইলি রোডে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইছিলেন তাহসান। হঠাৎ গান থামিয়ে তিনি বলেন, একদিন এই বেইলি রোডে কতো ভিজেছি রিক্সায়। আর আজ তুমি নেই অ্যান্ড ‘আই ডোন্ট কেয়ার’।

তাহসানের এই কথাগুলো তার ভক্তদের মনে দারুণভাবে দাগ কাটে। মুহূর্তেই সেই ভি`ডিও ভা`ইরাল হয়ে যায়। অনেকেই বলছিলেন, মনের ভেতরের কোনও ক’ষ্ট থেকেই হয়তো তাহসান কথাটি বলেছেন।

এদিকে এই অ’ভিনেতা জীবনের ১০০তম নাট’কে অ’ভিনয় করেছেন। নাম “Memories – কল্পতরুর গল্প”। তাহসানের সাবেক স্ত্রী’ মিথিলা ৬ ডিসেম্বর কলকাতার পরিচালক সৃজিতকে বিয়ে করেন। সেই রাতেই তাহসান তার নাট’কটি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, কাজ দিয়েই বেঁ`চে থাকতে চাই।

‘যদি একদিন’ খ্যাত নায়কের এই কথাটিও ভা`ইরাল হয়েছে। পরের স্ট্যাটাসের এই গায়ক লিখেন, “Memories – কল্পতরুর গল্প” আর “কী’ হতো বলে গেলে” নাট’ক আর গান, দুটোরই অভাবনীয় সাড়া… অনেক অনেক ভালোবাসা সবাইকে। আর ধন্যবাদ বান্নাহ (নাট’কের পরিচালক), মুন্না ভাই, মাসুদ আর সবাইকে যাদের কারণে আমা’র ১০০ তম কাজ এতোটা স্ম’রণীয় হয়ে থাকলো।

শুধু নামেই নন, তিনি সত্যিই হাসিনা: সালমান খান

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী কনসার্ট মাতিয়েছেন বলিউডের দুই সুপারস্টার সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আসেন।

সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করেন। রাত ১০টা ২০ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খান।এর আগে ক্যাটরিনা পারফর্ম করেন চারটি গানে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের পারফরম্যান্স উপভোগ করেন প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে। আলাদা পারফরম্যান্স শেষে সালমান ও ক্যাটরিনা মঞ্চে আসেন একসঙ্গে। মেতে ওঠেন খু’নসুটিতে। প্রায় ৯ মিনিট তারা একসঙ্গে ছিলেন মঞ্চে।

প্রথমে সালমান খান বলেন, ‘খুব আশ্চর্য হচ্ছি, এখানেই যদি এত মানুষ থাকে তাহলে ঘরে টিভির পর্দায় কত মানুষ আমাদের দেখছে! ধ্রুপদী ভালোবাসা পেলাম তোমাদের থেকে।’

এরপর ক্যাটরিনা ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমি বলতে চাই, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ, তোমাদের ভালোবাসি।’

এরপর সালমান খান আবার বলেন, ‘দেখলেন ও (ক্যাটরিনা) কী’ সুন্দর বাংলা বলল! মনে হচ্ছে ও হিন্দির থেকে বাংলাটাই ভালো বলে। ও যখন হিন্দি বলে তখন আমি কিছুই বুঝি না।’

‘সালাম বাংলাদেশ। কেমন আছো’- বলেছেন সালমান। পাশ থেকে সঞ্চালক জুয়েল বাংলায় যা বলেছেন, সালমানও তাকে অনুকরণ করেন। বলেন, ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি। আমি সবাইকে ভালোবাসি। আমি আমাকেও ভালোবাসি।’

নিয়মিত বাংলাদেশে আসার ইচ্ছা পোষণ করে সালমান বলেছেন, ‘তোম’রা যদি আমাকে দাওয়াত দাও, আমি অবশ্যই আবার আসব।’

পাশে থাকা ক্যাটরিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। উনি আমাদেরকে এখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমাদের সুযোগ হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার। আম’রা খুবই উৎফুল্ল তার সাক্ষাৎ পেয়ে। আমি আবারও বলছি বাংলাদেশ, তোমাদের ভালোবাসি।’

এরপর সালমান খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আম’রা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও ভালোবাসি। শুধু নামেই তিনি হাসিনা নন…উনি সত্যিই হাসিনা। তার সুন্দর চেহারা, লাবণ্যময়ী হাসি, তার ম’র্যাদা এবং ব্যক্তিত্ব অ’পূর্ব। তার চোখ খুবই সুন্দর। আম’রা আপনাকে ভালোবাসি।’

‘আম’রা এখানে এক হয়েছি বিশেষ উদ্দেশ্যে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী’ উদযাপনে এই বিপিএল। তিনি বাংলাদেশকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি ফাদার অব দ্য নেশন। তার জন্ম শতবার্ষিকী’তে আমি পুরো বাংলাদেশকে অ’ভিনন্দন জানাচ্ছি’- বলেন সালমান।

এখানে আসার আগে তার বাবা তাকে কবি কাজী নজরুল ইস’লামের কথা বলেছিলেন বলে জানালেন সালমান, ‘আমি এখানে আসার আগে আমা’র বাবাকে গিয়ে বললাম, আমি বাংলাদেশে যাচ্ছি। বাবা বলল,‘‘তুমি যদি স্টেজে উঠো, অবশ্যই একজনের নাম বলবে; কবি কাজী নজরুল ইস’লাম।’’ আমা’র বাবা তার বড় ভক্ত। আমাকে বলে দিয়েছে অবশ্যই যেন আমি উনার নাম স্টেজে বলি।’

বিসিবি সভাপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে সালমান বলেন, ‘বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনকে ধন্যবাদ জানাই এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ সোহেলকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তার নামটা আমি হৃদয় থেকে বলছি কারণ উনার নামে আমা’র ছোট ভাই আছে। দেখু’ন এ আয়োজন। এর পেছনে উনার অবদান বলে শেষ করে যাবে না। অসাধারণ কাজ করেছেন।’

শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে সালমান খান ও ক্যাটরিনা যৌথ পারফরম্যান্স উপহার দেন। দুজনের ব্যবসা সফল ছবি ‘টাইগার জিন্দা হ্যা’ সিনেমা’র ‘সোয়াগ সে সওগাত’ গানে পারফর্ম করেন। এরপর আতশবাজির ঝলকানি, হাজারো রঙের খেলায় শেষ হয় বঙ্গবন্ধু বিপিএলের কনসার্ট।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে বিপিএলের বিশেষ এই আসর। ১১ ডিসেম্বর শুরু হবে মাঠের ল’ড়াই।

সালমানের প্রশংসা শুনে যা করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিপিএলের ৭ম আসরের বর্ণিল উদ্বোধনী আয়োজনে মঞ্চ মাতিয়েছেন বলিউড অ’ভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ ও সুপারস্টার সালমান খান। মঞ্চে পারফর্মেন্সের পর সালমান ও ক্যাটরিনা স্টেজে কথা বলেন।

এসময় সালাম দিয়েই সালমান খান বলেন, কেমন আছ? এখানে এত মানুষ আমাদের দেখতে এসেছেন। আম’রা ভাগ্যবান।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আম’রা সবাই শেখ হাসিনাকে ভালোবাসি। তার নামই হাসিনা নয়, তিনি সত্যিই হাসিনা। তার অমায়িক হাসি, তার চোখে মুগ্ধ আমি।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে হাস্যজ্জ্বল দেখা যায়। তিনি লজ্জায় চোখ ঢাকেন।

সালমান খান এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে, ভিভিআইপি গ্যালারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথা হল সালমান-ক্যাটরিনার

সন্ধ্যায় বিপিএলের উদ্বোধন ঘোষণার পর থেকে মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিসিবির হসপিটালিটি বক্সে বসে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশীয় শিল্পীদের পরিবেশনার পর ভারতীয় সংগীতশিল্পী সনু নিগাম গান গাইছেন অনেকটা সময় ধরে। মঞ্চে উঠে গান গাওয়া শুরু করেছিলেন আগেই।

দুটি গান গাওয়ার পরই তার কণ্ঠে শোনা গেল বাংলাদেশের দেশাত্মবোধক ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ গানটি। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত দর্শকদের হর্ষধ্বনিতে ভেসে গেলেন ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী সনু নিগাম।

বিসিবির হসপিটালিটি বক্সে বসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঠোঁট মেলালেন ‘সে যে আমা’র জন্মভূমি’ লাইনটিতে। গান শেষ হওয়া মাত্রই তালি দেয়ার মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন নিজের মুগ্ধতার কথা।

তবে এখানেই শেষ হয়নি সনু নিগামের সারপ্রাইজ। ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ গানটি শেষ হতেই তিনি গেয়ে ওঠেন মহান মুক্তিযু’দ্ধের অন্যতম অনুপ্রেরণামূলক ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গানটি। এই গানের সঙ্গেও ঠোঁট নাড়ান প্রধানমন্ত্রী।

এরপর একে একে নিজের জনপ্রিয় গানগুলো গাইতে শুরু করেন সনু নিগাম।

বাংলাদেশ মাতাতে আজ সকালেই বাংলাদেশে পা রেখেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফ। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ এই দুই তারকা পারফর্ম করার আগে কুশল বিনিময় করেছে প্রধানমন্ত্রীর সাথে।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে বেশ কিছুক্ষণ হাস্যজ্জল ভঙ্গিতে দেখা যায় এই দুই তারকাকে। রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে গ্যালারিকে পেছনে রাখা বানানো মঞ্চে হাজির হবেন ক্যাটরিনা। এরপর রাত ১০টায় থাকছে সালমানের পরিবেশনা। রাত ১০টা ২০ মিনিটে দু’জনে একসঙ্গে নাচবেন

ঢাকায় নেমেই ডাবের পানি খেলেন সালমান-ক্যাটরিনা

বলিউড স্টার সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ এখন ঢাকায়। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফরম করতে ঢাকায় এসেছেন তারা রোববার (৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় ভারত থেকে যাত্রা শুরু করে সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন ওই দুই বলিউড তারকা। সালমান খান উঠছেন ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিনে ও ক্যাটরিনা কাইফ উঠছেন হোটেল রেডিসনে।

বিমানবন্দর নেমেই প্রথমে তারা দুইটা করে ডাবের পানি খেয়েছেন। এরপর তারা নিজ নিজ হোটেলের দিকে রওয়ানা দেন। সূত্র জানায়, হোটেলের রুমে পৌঁছানোর ঘন্টা খানেক পর বেলা ১১টা দিকে নাস্তা করেন। তাদেরকে ৫ স্তরের নিরাপ’ত্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা নিজ নিজ হোটেলে অবস্থান করছেন। এদিকে আজ বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে পর্দা উঠবে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উৎস’র্গ করে এবারের বিপিএলকে দেয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা। আর এ আসরটিকে আরও বেশি জাঁ’কজম’কপূর্ণ ও আকর্ষ’ণীয় করে তুলতে তারকাবহুল এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যেখানে পারফরম করবেন বলিউডের বিখ্যাত এ দুই তারকা সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে পারফরম করবেন তারা দুজন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধ’রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার পর একদম শেষ দিকে মূল আকর্ষ’ণ হিসেবে মঞ্চে উঠবেন এ দুই বলিউড তারকা। প্রথমে একক পারফরম্যান্স করবেন দুজনে। এর পর আবার দুজনের দ্বৈ’ত পারফরম্যান্স দিয়ে শেষ হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সালমানের আগে মঞ্চে উঠবেন ক্যাটরিনা।