স্যুট’কেসে তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ, বাবা গ্রে’ফতার

স্যুট’কেসের ভেতরে এক তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। ম’রদেহ তিন টুকরা করা ছিল। এই ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্রের থানে শহর থেকে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

গ্রে’ফতার হওয়া ব্যক্তি ওই তরুণীর বাবা। সম্প্রতি মেয়েটি এক সহকর্মীকে বিয়ে করার কথা জানায় তার বাবাকে। ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সহকর্মী ভিন্ন গোত্রের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ওই তরুণীকে নিজের বাবার হাতে খু’ন হতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অ’ভিযুক্ত অরবিন্দ তিওয়ারি তার মেয়ে প্রিন্সিকে হ’ত্যার পর তিন টুকরো করে স্যুট’কেসে রাখেন। পরে শনিবার রাতে একটি অটোরিক্সায় করে পালিয়ে যান। পরদিন ভোরে ওই স্যুট’কেস উ’দ্ধার করে পু’লিশ।

৩০ ঘণ্টা অ’ভিযান চালিয়ে সোমবার অরবিন্দ তিওয়ারিকে গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়। রোববার ভোরে কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে একটি অটোর ভেতর থেকে ওই স্যুট’কেসটি উ’দ্ধার করা হয়। সেখানকার অটোচালকরাই স্যুট’কেসের ব্যাপারে পু’লিশকে জানিয়েছিলেন। পু’লিশের এক কর্মক’র্তা বলেন, স্যুট’কেসের ভেতর এক তরুণীর দেহ উ’দ্ধার করি আম’রা। সেখানে মাথা ছিল না। কোম’রের নীচের অংশ ছিল। ম’রদেহটি তিন টুকরো করা ছিল।

ঘটনার ত’দন্তে নেমে ওই এলাকার অটোচালকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পু’লিশ। সে সময় এক অটোচালক জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অটোতে এক ব্যক্তি ওই স্যুট’কেস নিয়ে উঠেছিলেন। তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তবে এ নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনও উত্তর না দিয়ে অটোতে স্যুট’কেস রেখে নেমে যান তিনি। এরপর পু’লিশকে খবর দেন আশপাশের অটোচালকরা।

এরপর আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পু’লিশ। এতে দেখা যায়, ওই একই ধরনের স্যুট’কেস নিয়ে ট্রেনে উঠছেন দু’জন ব্যক্তি। তবে এর মধ্যে লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি স্টেশনের কাছে একটি শৌচালয়ে ঢুকলেও সেখান থেকে বের হন সাদা শার্ট পরে। তাতেই সন্দেহ হয় পু’লিশের। সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা যায়, লাল শার্ট পরা অবস্থায় একটি অটোতে উঠছিলেন ওই ব্যক্তি।

ফুটেজে ওই ব্যক্তির চেহারা দেখেই এরপর স্থানীয় এলাকায় তল্লা’শি শুরু করে পু’লিশ। শেষমেশ স্যুট’কেস উ’দ্ধারের প্রায় ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই পু’লিশের কাছে ধ’রা পড়েন অরবিন্দ।