রাজীব সাহেবের দুই ছেলেই বিয়ে করেছে, কিন্তু কুলসুম মেম বেচারী নিজের বলতে আজও কিছু নেই : দেবী গাফফা

আঅভিনেতা রাজীবের জীবনি সিনেমার থেকে কোন অংশে কম নয়।তার জীবনী থেকে জানা যায় তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষ ছিলেন। কাছের মানুষের সুখ-দুঃখ থেকে শুরু করে সকল বিষয় খেয়াল রাখবেন তিনি। নিজের জীবনে সুখ দুঃখ মিশ্রণ ছিল। দেবী গফফার রাজীবের জীবনী লিখতে গিয়ে লিখেছেন অনেক কিছুই। এবার তিনি একজন

রাজিব এর জীবনী ১৪ তম পর্ব লিখেছেন। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তা তুলে ধরা হলো:-

অনেক কিছুই লেখার থাকে, লেখা হয়ে উঠে না। সব কথা সময়মত মনেও আসে না। রাজীব সাহেব এর ছোট বেলা, পাশের বাসার চাচার উঠান পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। সেই চাচা বলতেন, কিগো মিয়া তুমি তো পড়াশোনা করতে করতে আমার উঠানের ঘাস মেরেফেলবে। বড় হয়ে আমাকে চাকরি দিও, হাহা করে হাসতেন। ছোট্ট বুকে জ্বালা ধরা হাসি। উনি দেখিয়ে দিতেন, একটা বাচ্চাকে কত রকমের অপমান করা যায়। ঐ চাচার কাজ

ছিলো সারারাত যাত্রা দেখা, দিনে উঠানে বসে হুক্কা টানা। এই ধরনের জীবনযাপনে এক সময় উনার জায়গা জমি সব বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে যান। রাজীব সাহেব তিতাসে থাকা

কালে একদিন ঢাকা আসলেন। উনার সব অবস্থা শুনে বললেন, এখন কি করেন? চাচা বললেন, ’বাবা নদীতে মাছ ধরে খাই।’

রাজীব সাহেব তখনই তিতাস এ চাচার চাকরির ব্যবস্থা করলেন। ওই চাকরির টাকায় চাচা বড় দোতলা বাড়ি করলেন, ছেলে মেয়ে বিয়ে দিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন এর শেষ দিনগুলো পার করলেন। কেরামত চাচা একদিন ফোন করে বললেন উনার বাসায় যাওয়ার জন্য। রাজীব সাহেব এর সময় না থাকায় চাচা আমাদের বাসায় আসলেন। সেই টেডী রাজীবের বাসায়। এর পর মাঝে মাঝেই আসতেন। রাজনৈতিক ব্যাপারগুলো নিয়ে রাজীব সাহেব এর পরামর্শ নিতেন। আসলেই বলতেন, বৌমা তোমার হাতের সেই কাঁচ কলা দিয়ে সিং মাছের ঝোল খাবো।

মারা যাওয়ার আগে ও বলতেন, ’বৌমার হাতের সিং মাছের ঝোল খাবো।’ সেই মামী যিনি পাকিস্তানি আর্মিদের হাত থেকে রাজিব সাহেবকে বাঁচিয়েছিলেন এক সময় অসুস্থ হলে ঢাকায় আমার বাসায় আনি।

যথাসাধ্য মামীর চিকিৎসা করে সেবা যত্ন দিয়ে সুস্থ করে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম। মামীর নাতনীকেকে চাকরি ঠিক করে দিই, টঙ্গী চেরাগ আলি সরকার সাহেব এর হাই স্কুল এ। লালমাটিয়া থাকতে আজম আসলো অসুস্থ হয়ে, বউ বাচ্চাসহ পাঁচজন। পিজিতে ভর্তি করালাম।

ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়লো।আমার হাতের খাবার ছাড়া খেতেন না। সকালে বাজার করে রান্না করে বাচ্চাদের বাসায় রেখে প্রতিদিন পিজিতে খাবার নিয়ে যেতাম। যথাসাধ্য উনার সেবা যত্ন করেও উনাকে বাঁচাতে পারিনি। আমার হাতেই মারা গেলেন। সমস্ত খরচ দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিই। আজমের সেই বোনের ছেলেকে ঢাকা এনে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়। তাদের সেই রমরমা অবস্থা না থাকায় আজমের বোন, বোন জামাই ঢাকা আসে। অনুরোধ করে ছেলের চাকরির জন্য। এখন ছেলে ভালো ইনকাম করে। ভালো আছে।

কুলসুম মেম মোটামুটি ভালো আছে। রাজীব সাহেব এর দুই ছেলেই বিয়ে করেছে, বউ বাচ্চা নিয়ে ভালো আছে। কিন্তু কুলসুম মেম বেচারী, তার নিজের বলতে তখনও কিছু

ছিলো না আজও নেই। ছেলেরা ঠেলাঠেলি করে দুইদিন এই ছেলের বাসায় ঠাই হলে আবার আর এক ছেলের বাসায় যেতে হয়। মেয়েদের আসলে নিজের বলতে কিছু নেই।

উনি ভালো নেই। আমি সব শুনি। কুলসুম মেমকে খবর পাঠিয়েছিলাম, ওখানে উনার অসম্মান হলে উনি যেনো আমার কাছে চলে আসেন। কথা দিয়েছি সম্মানের উঁচু জায়গাটা উনার জন্য থাকবে। উনি আসেননি। এই সমাজের নিয়ম ভেঙে হয়তো উনি আসতে পারবেন না। তেমনি মা হালিমাকেও বলেছি, কষ্ট হলে যেনো আমার কাছে চলে আসেন।

আমার এই লেখা নিশ্চয়ই মাসুদ মামুনও পড়ছে। অনুরোধ থাকবে ওরা যেনো ওদের মা’কে ভালো রাখে। নতুবা প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করবে না। পরিশেষে বলবো, অমি সাহেব এর সুনজর না থাকলে আমার এই লেখা এত বর্ণনা কোন কিছুই সম্ভব হতো না। অমি সাহেব এর কাছে বরাবরই কৃতজ্ঞ। নিখাদ ভালো মানুষ। ভালো থাকুক সাহেব। আবার কখনো নতুন কোন লেখা নিয়ে আপনাদের দরবারে হাজির হবো। আপনাদের ভালোবাসায় আমি, আমার পরিবার মুগ্ধ।

উল্লেখ্য, নায়ক থেকে শুরু করার রাজিব এর জীবন শেষ পর্যন্ত খলনায়ক হিসেবে থামে। বাংলাদেশের তারছেড়া আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। বিনোদন জগতের তাকে সবাই সম্মান শ্রদ্ধা করতেন। দেবি গফফারের লেখনীর মাধ্যমে তার জীবনে অনেক অজানা গল্প জানতে পেরেছে মানুষ। তবে আজকের লেখনির পর লেখিকার লেখায় বোঝা যাচ্ছে তিনি এখানেই রাজীবের জীবনির লেখার শেষে টেনেছেন।

চাঁ’দা না পেয়ে বিকাশের দোকানে যুবলীগ নেতার হা’মলা

লক্ষ্মীপুরে চাঁ’দার দাবিতে বিকাশ এজেন্টের দোকানে হা’মলা চালিয়ে ভাঙচুর ও টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা অনুপম হোসেনের বি’রুদ্ধে। অ’ভিযুক্ত অনুপম সদর উপজে’লার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর হোসেন ভুলুর ভাই। সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজে’লার পুরাতন তেওয়ারীগঞ্জ বাজারের ইকরা এন্টারপ্রাইজের ওই বিকাশ এজেন্টের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। ভু’ক্তভোগী ব্যবসায়ী আবু নোমান খোকন জানান, তিনি স্থানীয় হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত।

যুবলীগ নেতা অনুপম ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হতে চেয়েছেন। কিন্তু সদস্য হতে না পারায় প্রধান শিক্ষক আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বি’রোধে জড়িয়ে পড়েন।

গত ৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষককে মা’রধর করতে অনুপম বিদ্যালয়ে আসেন। শিক্ষক ছুটিতে থাকায় খোকনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অনুপম। একপর্যায়ে অনুপম তাকে চাকরিচ্যুত করার হু’মকি দেন। কিছুদিন পরই যুবলীগ নেতা তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁ’দা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে হ’ত্যার হু’মকি দেন। এই ভয়ে কয়েকদিন খোকন পলাতক ছিলেন। সোমবার রাতে চাঁ’দা না দেয়ায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনুপম তার অনুসারী জামাল ও দিদারকে নিয়ে এসে খোকনের দোকান ভাঙচুর করেন। এ সময় একটি কম্পিউটার ও বিকাশের প্রায় ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা।

নোমানের বাবা আবু ছিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে আমি দোকানে আসি। এ সময় অনুপম আমাকে দোকান বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু দোকান বন্ধ না করায় আমাকে মা’রধর করতে আসেন তিনি। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে টাকা ও কম্পিউটার নিয়ে চলে যান তারা।

এ ব্যাপারে জানতে যুবলীগ নেতা অনুপম হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে ত’দন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সু চির বিচারের দাবিতে কক্সবাজার রো’হিঙ্গা ক্যাম্পে বি’ক্ষোভ

মিয়ানমারে রো’হিঙ্গাদের গণহ’ত্যা মা’মলায় নেদারল্যান্ডসের আ’দালতে শুনানি শুরু হচ্চে আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর)। এদিকে অং সান সুচির বিচারের দাবিতে কক্সবাজারে বি’ক্ষোভ করছেন রো’হিঙ্গারা। এদিকে রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যার বিচার দাবি ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির আগমনকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠছে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহর।

সু চির উপস্থিতিতে হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আ’দালতে (আইসিজে) শুরু হচ্ছে মিয়ানমারের বি’রুদ্ধে গণহ’ত্যা মা’মলার শুনানি। শুনানি শেষে আ’দালত মিয়ানমারের অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বি’রুদ্ধে গ্রে’ফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এদিকে হেগে শুনানির প্রাক্কালে মিয়ানমারকে সর্বতোভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে ৩০টি সংগঠন।

জাতিসংঘ আ’দালতে শুনানি উপলক্ষে হেগে টানা তিন দিন বি’ক্ষোভের ডাক দিয়েছে রো’হিঙ্গা সংগঠনগুলো। মিয়ানমার সরকার সমর্থকরাও সেখানে সমাবেশ করবে। শুনানিতে ওআইসির পক্ষে মা’মলা দা’য়ের করা গাম্বিয়ার আইনজীবীরা ১৬ সদস্যবিশিষ্ট আ’দালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আগেই সাময়িক পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন জানায়।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী শুনানি চলাকালে জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আ’দালতের নিরাপত্তা জো’রদার করা হয়েছে। জানা গেছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অংশ হিসেবে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বি’রুদ্ধে গ্রে’প্তারি পরোয়ানা জারি করা হতে পারে। তবে মিয়ানমার সরকারের প্রধান হিসেবে সু চিকে দায়মুক্তি দেয়া হতে পারে।

স্যুট’কেসে তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ, বাবা গ্রে’ফতার

স্যুট’কেসের ভেতরে এক তরুণীর মুণ্ডহীন ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। ম’রদেহ তিন টুকরা করা ছিল। এই ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্রের থানে শহর থেকে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

গ্রে’ফতার হওয়া ব্যক্তি ওই তরুণীর বাবা। সম্প্রতি মেয়েটি এক সহকর্মীকে বিয়ে করার কথা জানায় তার বাবাকে। ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীর সহকর্মী ভিন্ন গোত্রের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ওই তরুণীকে নিজের বাবার হাতে খু’ন হতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অ’ভিযুক্ত অরবিন্দ তিওয়ারি তার মেয়ে প্রিন্সিকে হ’ত্যার পর তিন টুকরো করে স্যুট’কেসে রাখেন। পরে শনিবার রাতে একটি অটোরিক্সায় করে পালিয়ে যান। পরদিন ভোরে ওই স্যুট’কেস উ’দ্ধার করে পু’লিশ।

৩০ ঘণ্টা অ’ভিযান চালিয়ে সোমবার অরবিন্দ তিওয়ারিকে গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়। রোববার ভোরে কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে একটি অটোর ভেতর থেকে ওই স্যুট’কেসটি উ’দ্ধার করা হয়। সেখানকার অটোচালকরাই স্যুট’কেসের ব্যাপারে পু’লিশকে জানিয়েছিলেন। পু’লিশের এক কর্মক’র্তা বলেন, স্যুট’কেসের ভেতর এক তরুণীর দেহ উ’দ্ধার করি আম’রা। সেখানে মাথা ছিল না। কোম’রের নীচের অংশ ছিল। ম’রদেহটি তিন টুকরো করা ছিল।

ঘটনার ত’দন্তে নেমে ওই এলাকার অটোচালকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পু’লিশ। সে সময় এক অটোচালক জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে অটোতে এক ব্যক্তি ওই স্যুট’কেস নিয়ে উঠেছিলেন। তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তবে এ নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনও উত্তর না দিয়ে অটোতে স্যুট’কেস রেখে নেমে যান তিনি। এরপর পু’লিশকে খবর দেন আশপাশের অটোচালকরা।

এরপর আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পু’লিশ। এতে দেখা যায়, ওই একই ধরনের স্যুট’কেস নিয়ে ট্রেনে উঠছেন দু’জন ব্যক্তি। তবে এর মধ্যে লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি স্টেশনের কাছে একটি শৌচালয়ে ঢুকলেও সেখান থেকে বের হন সাদা শার্ট পরে। তাতেই সন্দেহ হয় পু’লিশের। সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা যায়, লাল শার্ট পরা অবস্থায় একটি অটোতে উঠছিলেন ওই ব্যক্তি।

ফুটেজে ওই ব্যক্তির চেহারা দেখেই এরপর স্থানীয় এলাকায় তল্লা’শি শুরু করে পু’লিশ। শেষমেশ স্যুট’কেস উ’দ্ধারের প্রায় ৩০ ঘণ্টার মধ্যেই পু’লিশের কাছে ধ’রা পড়েন অরবিন্দ।

পার্কে দুই কলেজছাত্রীর সামনে মধ্যবয়সীর হ’স্তমৈ’থুন

ভারতের কলকাতার এক পার্কে দুই কলেজছাত্রীর সামনে হ’স্তমৈ’থুন করার অ’ভিযোগ উঠেছে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তির বি’রুদ্ধে। উপস্থিত বুদ্ধির জো’রে সেই অ’ভিযুক্তকে পু’লিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন ওই দুই কলেজছাত্রী। সূত্র: আনন্দবাজার

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) কলকাতার বেহালা থা*নার হিন্দুস্তান পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ওই দুই কলেজছাত্রীর অ’ভিযোগ, গত চার দিন ধরে শেখ সেলিমউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তাদের অনুসরণ করছিলেন। রোববার এলাকার এক পার্কে গেলে পিছনে পিছনে পৌঁছে যান চল্লিশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। ছাত্রীরা জানিয়েছেন, পার্কের গেটের সামনে প্রকাশ্যেই হ’স্তমৈ’থুন করতে থাকেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই দুই ছাত্রী পাড়ার লোককে বিষয়টি জানান রবিবারই। ঠিক হয়, পরদিন ফের পার্কে যাবেন ওই তরুণীরা। ওই ব্যক্তি ঘটনার পুনরাবৃত্তি করলে, প্রমাণ জোগাড়ের জন্যে ঘটনা ভিডিও করা হবে। সেই কথা মতোই সোমবার আরও এক বান্ধবীকে নিয়ে পার্কে আসেন তারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ওই ব্যক্তিও।

অ’ভিযোগ, টিকট’ক ভিডিও করার ছলে মোবাইল ক্যামেরা অন করলে, ওই ব্যক্তি ক্যামেরাব’ন্দি হয়ে যায় হ’স্তমৈ’থুনরত অবস্থায়। এই সময়েই পাড়ার লোকেরা হাতেনাতে সেই ব্যক্তিকে ধরেও ফেলে । বেহালা থা*নায় খবর দিলে থা*নার পু’লিশ এসে ওই ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করে। পু’লিশের হাতে ভিডিও ফুটেজটি প্রমাণ হিসেব তুলে দেওয়া হয়। ভিডিওটি খতিয়ে দেখছে পু’লিশ।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ডিসি দক্ষিণ পশ্চিম নীলাঞ্জন বিশ্বা’সকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফোন সুইচ অফ পাওয়া গিয়েছে বেহালা থা*নার ওসিরও।

বিএনপির রণসংগীত গাইবেন ভারতের নচিকেতা!

ভারতের জনপ্রিয় বাংলা ভাষার সংগীতশিল্পী নচিকেতা বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুণের লেখা রণসংগীত গাইবেন । মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুণ নিজেই সোমবার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনের আন্দোলন সফল করতে রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সাংস্কৃতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরই রাজধানীতে রণসংগীতের ক্যাসেটের মোড়ক উন্মোচন করা হবে বলেও তিনি জানান।

অরুণ জানান, রণসংগীতের শুরুটা হবে এভাবে, জাগো বাহে, জাগো বাহে, বাতাসে বারুদের গন্ধ, মিছিলের ডাক শুনতে কি পাও। শিগগিরই গানটি নচিকেতার কণ্ঠে রেকর্ড করা হবে। এখন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।

অরুণ বলেন, যে রণসংগীত তৈরি করা হচ্ছে তা শুধু এখনই নয়। ভবিষ্যতে দেশে দেশে এ রণসংগীত মানুষকে উজ্জীবিত করবে। যেভাবে জিয়াউর রহমান দেশের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

বোনকে ছাড়া থাকতে পারবেনা, দুইজনকেই বিয়ে করলেন বর

অনেক রকম অদ্ভুত ঘটনা হরহামেশা ঘটে চলেছে। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভিন্ড জেলায় ঘটেছে সেরকম অদ্ভুত ঘটনা। এক ব্যক্তি দুই বোনকে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন। এর আগে কলকাতায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দুই বোন একসঙ্গে একজনকেই বিয়ে করেছিল।

তারা একে অপরকে ছেড়ে থাকার কথা কখনো ভাবতেও পারতেন না। সে কারণে বাকি জীবন একসঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে এই বিয়ে করেছিলেন এবং শুরু করেছিলেন নিজেদের ব্যবসা।

যদিও একসঙ্গে দু’জনকে বিয়ে করেননি। একজনকে আইন মেনে বিয়ে করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অন্যজন সবকিছু মেনে একসঙ্গে ছিলেন।

তবে এবারে এক অন্য ধরনের ঘটনা ঘটল মধ্যপ্রদেশে। বর দিলীপ নিজের শ্যালিকা রচনাকে বিয়ে করার আগে বিনীতা অর্থাৎ তার বোনকে বিয়ে করেছিলেন। বিনীতা গুরাভেলি গ্রামের সরপঞ্চের মেয়ে। ৯ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়; তাদের তিন সন্তানও রয়েছে।

দিলীপ বলেছেন, প্রথম স্ত্রী বিনীতা তার এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছেন। আর সে কারণেই বিয়ের অনুষ্ঠানে শ্যালিকাকে বিয়ে করার সঙ্গে সঙ্গে আবার নিজের প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন।

এছাড়াও জানা গেছে প্রথম পক্ষের স্ত্রী অসুস্থ। সন্তানদের দেখাশোনা করার জন্য কাউকে প্রয়োজন, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। দিলীপ দাবি করেছেন, প্রথম স্ত্রীরা মতেই একই বিয়ের অনুষ্ঠানে দুজনের গলায় মাল্যদান করেছেন তিনি।

গৃ’হবধূকে কু’পিয়ে হ’ত্যার পর গ’লায় ফাঁ’স দিলেন স্বা’মী

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় আনোয়ারা বেগম (৪৫) নামের এক গৃ’হবধূকে কু’পিয়ে হ’ত্যার পর গ’লায় ফাঁ’স দিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন স্বামী লাল মাহমুদ (৫৩)।সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কালিহাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও’সি) হাসান আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নি’হতদের দুই ছেলে প্রবাসে থাকেন। সেখান থেকে মা আনেয়ারা বেগমের নামে টাকা পাঠাতেন ছেলেরা। কিন্তু ছেলেদের পাঠানো টাকা প্রতিনিয়তই স্ত্রীর কাছে চাইতেন লাল মাহমুদ।

এর জে’র ধরে সোমবার রাতে লাল মাহমুদ স্ত্রীর কাছে টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কা’টাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধা’রালো অ’স্ত্র দিয়ে স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে কু’পিয়ে হ’ত্যা করেন তিনি। স্ত্রী’কে হ’ত্যার পর ঘরের আড়ার সঙ্গে গ’লায় ফাঁ’স লা’গিয়ে আত্মহ’ত্যা করেন লাল মাহমুদ।

ও’সি হাসান আল মামুন আরও বলেন, খবর পেয়ে রাতেই কালিহাতী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বারান্দা থেকে আনোয়ারা বেগমের এবং ঘরের ভেতর থেকে ঝু’লন্ত অবস্থায় লাল মাহমুদের ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়। ম’য়নাত’দন্তের জন্য তাদের ম’রদেহ টাঙ্গাইল জে’নারেল হা’সপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়।’

ছাত্রলীগ সভাপতির সামনেই যু’বকের পে’টে ছু’রি ঢু’কিয়ে দিল কর্মীরা

যশোরে সালিশ বৈঠক চলাকালে ছু’রিকাঘাতে জনি হোসেন (২৮) নামে যু’বককে হ’ত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নি’হত জনি একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ওই মোটরসাইকেলটি রেখে পা’লিয়ে যান নরেন্দ্রপুর ই’উনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।

নি’হতের স্বজনরা জানান, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিএম সবুজ হাসান ও বর্তমান সভাপতি শাহিন আলম মাটি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। তারা বিভিন্ন গ্রাম থেকে মাটি কিনে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন। সম্প্রতি নরেন্দ্রপুরের হাসিবের জমির মাটি কিনতে চান দুজনই।

এ নিয়ে বি’রোধের সৃষ্টি হলে সোমবার সন্ধ্যার পর নরেন্দ্রপুর মাস্টারপাড়ায় দুপক্ষ সমঝোতা বৈঠকে বসে। সেখানে শাহিন আলম মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে করে ২০-২২ জন কর্মী নিয়ে আসেন।

বৈঠকে সবুজের পক্ষে ছিলেন জনি। বৈঠক চলাকালে শাহিনের কয়েকজন কর্মী জনিকে ডেকে বুকে ছু’রিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়। এ সময় গ্রামবাসী ধাওয়া করলে শাহিন ও তার কর্মীরা দৌড়ে পা’লিয়ে যান। তবে শাহিনের এক পায়ে সমস্যা থাকায় মোটরসাইকেল না নিয়েই অন্য বাহনযোগে পা’লিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের ও’সি মনিরুজ্জামান বলেন, এলাকায় দুপক্ষের দ্ব’ন্দ্বের জে’রে জনিকে ছু’রিকাঘাতে খু’ন করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। মাটি কেনাবেচা নিয়ে দ্ব’ন্দ্ব ছিল। তারই জে’রে হ’ত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় কাউকে আ’টক করা সম্ভব হয়নি। নি’হতের বাবা থানায় এসেছেন। এখনো মা’মলা রেকর্ড হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল জ’ব্দ করা হলেও মালিক শনাক্ত করা হয়নি।

চিরতরে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে যা খাবেন

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুর্লভ। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এসব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যে কোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন।

তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম জল খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। অথবা,এক গ্লাস জল একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ জলে দিয়ে দিন। জল অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। জল ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে।

অথবা, ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস জলে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো হল পেটে জ্বালা- পোড়া করা, বদহজম, বমি বমি ভাব, বমি করা, পেটে ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, খাওয়ার পর উপরের পেট বেশি ভরে গিয়েছে অনুভূতি হওয়া ইত্যাদি। খাবার সময়মতো খাওয়া হয়না, বাইরের ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া, জাঙ্কফুড খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে নিস্তার পেতে জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া উপায়-

আলুর রস- ১. গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার অন্যতম ভালো উপায় হলো আলুর রস। আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যার লক্ষণগুলো রোধ করে থাকে। ২. একটি বা দুটো আলু নিয়ে গ্রেট করে নিন। এর গ্রেট করা আলু থেকে রস বের করে নিন। এরপর আলুর রসের সাথে গরম জল মিশিয়ে নিন। এই পানীয় দিনে ৩ বার পান করুন। প্রতি বেলায় খাবার ৩০ মিনিট আগে খেয়ে নিন আলুর রস। তবে অন্তত ২ সপ্তাহ পান করুন এই পানীয়।

আদা- ১. আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান যা গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় জ্বালাপোড়া হলে তা রোধ করতে সাহায্য করে। আদা খেলে বমি সমস্যা, বদ হজম, গ্যাস হওয়া কমে যায় ২. আদার রসের সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। দুপুরে ও রাতে খাওয়ার আগে এটি খেয়ে নিন। ৩. আদা কুচি করে জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০ মিনিট ডেকে রাখুন, এরপর সামান্য মধু মিশিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে নিন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করুন উপকারিতা পেতে। ৪. আপনি চাইলে আস্ত আদা ধুয়ে কেটে চিবিয়েও খেতে পারেন।

দই- ১. প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন। ২. দই আমাদের পাকস্থলীকে এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।